শিলিগুড়ির, ১২০ বছরের ইতিহাসের জীবন্ত দলিল, এখনও অনেকের অজানা তার ‘এই’ গৌরবময় অধ্যয়

শিলিগুড়ির, ১২০ বছরের ইতিহাসের জীবন্ত দলিল, এখনও অনেকের অজানা তার ‘এই’ গৌরবময় অধ্যয়

Siliguri: শিলিগুড়ি আজ উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং পাহাড় ডুয়ার্স ও উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। বাণিজ্য পর্যটন ও যোগাযোগের কেন্দ্র হয়ে ওঠা এই ব্যস্ত শহরের রয়েছে এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও জন্মদিনের অজানা গল্প।

শিলিগুড়ির, ১২০ বছরের ইতিহাসের জীবন্ত দলিল, এখনও অনেকের অজানা তার ‘এই’ গৌরবময় অধ্যয়

শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: ভোরের আলো ফুটতেই ব্যস্ত হয়ে ওঠে শহরটা। হিলকার্ট রোডে গাড়ির সারি, চায়ের দোকানে আড্ডা, স্টেশনে মানুষের ভিড় প্রতিদিনের মতোই ছুটে চলে শিলিগুড়ি। উত্তরবঙ্গের এই শহর আজ পাহাড়, সমতল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। কিন্তু, এত ব্যস্ততার মাঝেও শহরের নিজের জন্মদিনের গল্প যেন কোথাও হারিয়ে গিয়েছে সময়ের ভিড়ে। আজ সেই শিলিগুড়ির জন্মদিন।

তখনকার শিলিগুড়ি অবশ্য আজকের মতো ছিল না। ছোট্ট সীমান্তঘেঁষা জনপদ, চারপাশে জঙ্গল, অল্প কিছু বসতি আর সীমিত যোগাযোগ ব্যবস্থা এই নিয়েই ছিল শহরের প্রাথমিক চেহারা। পরে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে বা টয়ট্রেন চালু হওয়ার পর বদলাতে শুরু করে পরিস্থিতি। শিলিগুড়ি টাউন স্টেশনকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকে বাণিজ্য, জনবসতি ও যোগাযোগ।

ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে জানা যায়, ১৯০৬ সালে কার্শিয়াং মহকুমা থেকে পৃথক হয়ে শিলিগুড়ি স্বতন্ত্র মহকুমা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সেই সময় থেকেই শুরু হয় শহরের নতুন পরিচয়। সেই হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালে ১২০ বছরে পা দিল শিলিগুড়ি।

তবে এত ইতিহাস বহন করেও শহরের জন্মদিন নিয়ে বড় কোনও উদযাপন বা স্মরণ অনুষ্ঠান আজও খুব একটা চোখে পড়ে না। শহর প্রতিদিন নিজের গতিতে এগিয়ে চলে, আর তার ১২০ বছরের গল্প নীরবে জমা থাকে স্মৃতির পাতায়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই শহর হয়ে ওঠে উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যিক কেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে এখানে বসবাস শুরু করেন। গড়ে ওঠে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আধুনিক নাগরিক পরিকাঠামো। বদলে যায় শহরের চেহারা, বদলে যায় জীবনযাত্রাও।

(Feed Source: news18.com)