PM Narendra Modi: একদিকে চোল যুগের তাম্রলিপি, অন্যদিকে জীবন বাঁচানোর পাঠ– মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা।
নরেন্দ্র মোদি (ফাইল ছবি)
নয়াদিল্লি: রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নেদারল্যান্ডস থেকে প্রাচীন চোল যুগের তাম্রলিপি ভারতে ফেরত আসা থেকে শুরু করে গঙ্গার ডলফিন উদ্ধার এবং কেরলের এক অভিনব সাঁতার শেখানোর উদ্যোগ– সবকিছুরই উল্লেখ করেন তিনি।
সম্প্রতি নেদারল্যান্ডস সফরের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সফরের একটি বিশেষ মুহূর্ত ছিল শতাব্দী-প্রাচীন চোল যুগের তাম্রলিপি ভারতের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে দেওয়া। ডাচ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মোদির কথায়, এই ঘটনা শুধু দেশের মানুষের মধ্যেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যেও গর্ব ও আনন্দের সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে তামিল সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ঐতিহাসিক সম্পদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে।
মোদি জানান, এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের অধীনে তৈরি ভারতের প্রথম গঙ্গার ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুল্যান্স। ডলফিনটি খালে আটকে পড়ার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় অ্যাম্বুল্যান্সটি। উদ্ধার হওয়ার পর প্রাণীটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা হয় এবং পরে তাকে নিরাপদে নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনাকে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এটি ভারতের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও গঙ্গার অনন্য বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের প্রতি দেশের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
এই উদ্যোগের পেছনের গল্পও তুলে ধরেন মোদি। তিনি জানান, কয়েক বছর আগে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় বহু ছাত্রছাত্রীর মৃত্যু সাজিকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। সেই ঘটনার পর তিনি উপলব্ধি করেন, সাঁতার জানা থাকলে হয়তো অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো। সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় তাঁর জীবনরক্ষার এই মিশন। এরপর থেকে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সাঁতার ও জল নিরাপত্তার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগকে এক ব্যক্তির দৃঢ় সংকল্প ও সমাজসেবার অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশংসা করেন।
(Feed Source: news18.com)