
- নাগা চৈতন্য দিল্লিতে হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবি ছড়ানো হচ্ছে, অভিযোগ তাঁর।
- সামান্থা রুথ প্রভুর সাথে প্রতারণার গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
- আদালত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে।
কলকাতা: এবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিনেতা নাগা চৈতন্য (Naga Chaitanya)। ব্যক্তিত্ব-রক্ষা থেকে শুরু করে, একাধিক গুরুতর অভিযোগ অভিযোগ রয়েছে নাগা চৈতন্যের। অভিযোগ, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ও ভুল তথ্য দিয়ে তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু (Samantha Ruth Prabhu)-র ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সামান্থা নাগা চৈতন্যের প্রথম স্ত্রী। ২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন, নাগা চৈতন্য আর সামান্থা। তবে ২০২১ সালে তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপরে তাঁরা ২ জনেই ব্যক্তিগত জীবন বেছে নিয়েছেন। ২ জনেই বর্তমানে বিবাহিত। তবে বিচ্ছেদের এত বছর পরেও যেন নাগা আর সামান্থার সম্পর্ক আজও চর্চার বিষয়। নাগা চৈতন্যের অভিযোগ, সামান্থা আর তাঁকে নিয়ে যে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, এতে তাঁর কেরিয়ার আর ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষতি হচ্ছে।
কী অভিযোগ নাগা চৈতন্যের?
নাগা চৈতন্য বিনা অনুমতিতে তাঁর নাম, ছবি ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ লাগু করার কথা বলেছেন। তাঁর অভিযোগ, প্রচার করা হচ্ছে যে, তিনি সামান্থার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন এবং তাঁর কেরিয়ার নষ্ট করে দিয়েছেন। পাশাপাশি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একাধিক ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই গোটা বিষয়টাতেই আপত্তি রয়েছে নাগা চৈতন্যের। জাস্টিস জ্যোতি সিংহ দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলাটা শোনেন। সিনিয়র আইনজীবী বৈভব গাগ্গার জানান, গোটা বিষয়টা এই কারণেই উদ্বেগজনক যে, কেবলমাত্র ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য নাগা চৈতন্য আর সামান্থার AI নির্মিত ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যক্তিগত জীবনে এই ধরণের ঘটনা মানহানি বলেও উল্লেখ করেছেন, নাগা চৈতন্য।
কী পদক্ষেপ নিল আদালত?
নাগা চৈতন্য উল্লেখ করেছেন যে, কনটেন্টগুলি শুধু যে অসত্য তা নয়, কনটেন্টগুলি অশালীন ও। আইনজীবী যুক্তি দেন, নাগা চৈতন্য দক্ষিণী সিনেমার যথেষ্ট অগ্রণী এক ব্যক্তিত্ব। তাঁর সম্পর্কে এই ধরণের ছবি এবং খবর ছড়িয়ে পড়া যথেষ্ট উদ্বেগজনক। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নাগা চৈতন্য আর সামান্থার যে সমস্ত কৃত্রিম ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেগুলি অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ৩০ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে। বেশি কিছু লিঙ্ক সরিয়ে ফেলা হলেও, এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু লিঙ্কই রয়ে গিয়েছে। সেগুলো ও সরানোর কথা বলেছে আদালত।
(Feed Source: abplive.com)
