Para Athlete Shoots Dead: গলায় সোনার মেডেল, হাতে এশিয়াডের ছাড়পত্র…পড়ে দেশের স্টার অ্যাথলিটের নিথর দেহ, CCTV ফুটেজে হাড়হিম পুলিসের

Para Athlete Shoots Dead: গলায় সোনার মেডেল, হাতে এশিয়াডের ছাড়পত্র…পড়ে দেশের স্টার অ্যাথলিটের নিথর দেহ, CCTV ফুটেজে হাড়হিম পুলিসের

 

Para Athlete Shoots Dead: সোনাজয়ী জাতীয় অ্যাথলিটের দেহ উদ্ধার! এশিয়াডের যোগ্যতা অর্জনের পরেই ২৫ বছরের যুবকের এ কী পরিণতি? CCTV ফুটেজে দেখে হাড়হিম পুলিসের।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! ২৫ বছর বয়সী জাতীয় পর্যায়ের প্যারা অ্যাথলিট চিরাগ ত্যাগীর (Chirag Tyagi) দেহ উদ্ধার! যোগী রাজ্যের মুরাদনগরের বাসিন্দা চিরাগ। তাঁকে গাজিয়াবাদের সাই উপবন এলাকায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে যে, চিরাগকে গুলি করে হত্যা করেছে তারই এক সহ-প্যারা অ্যাথলিট! চিরাগ ছিলেন দেশের অন্যতম প্রতিশ্রুতিময় উদীয়মান প্যারা-অ্যাথলিটদেরই একজন। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্যারা অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ৪০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদকও জিতেছিলেন তিনি। কিছুদিন আগেই আসন্ন প্যারা এশিয়ান গেমসের যোগ্যতাও অর্জন করেছিলেন তিনি।

Para Athlete Shoots Dead: গলায় সোনার মেডেল, হাতে এশিয়াডের ছাড়পত্র…পড়ে দেশের স্টার অ্যাথলিটের নিথর দেহ, CCTV ফুটেজে হাড়হিম পুলিসের

উত্তরপ্রদেশের চিরাগ থাকতেন দিল্লির এক হোস্টেলে। গত বুধবার সকালে তিনি পরিবারকে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে, বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যেই বাড়ি পৌঁছে যাবেন। আর ওই ফোনের পরেই চিরাগের মোবাইল সুইচড অফ হয়ে যায়। এমনই জানিয়েছেন তাঁর কাকা রাজেশ ত্যাগী। এরপরেই পরিবারের উদ্বেগ বাড়তে থাকায় তাঁরা পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেন। গত শনিবার বিকেলে গাজিয়াবাদের সাই কুঞ্জ এলাকায় পুলিস ত্যাগীর দেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মনে করা হচ্ছে যে, তাঁকে গুলি করেই হত্যা করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ সহ প্যারা-অ্যাথলিট যশ খাতিককে আটক করেছে। পুলিসের মতে, খাতিক এর আগে ত্যাগীর সঙ্গেই প্রশিক্ষণ নিতেন এবং ‘ব্লাইন্ড’ ক্যাটাগরিতে অ্যাথলেটিক্সে তাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছেন। প্রায় এক দশক ধরে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে সবকিছুই ভাগ করে নিয়েছেন। একই ঘরে বসবাস করেছেন এবং গত পাঁচ বছর ধরে কঠোর অনুশীলনের সময় একে অপরকে প্রতিনিয়ত উৎসাহও জুগিয়েছেন।

যশকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করতেন চিরাগ। এমনকী নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্যও যশের সঙ্গে শেয়ার করেছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানা যায় যে, ত্যাগী এর আগে খাতিকের নথিপত্র যাচাই-সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিসের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, যার ফলে খাতিক প্রতিযোগিতায় অযোগ্য ঘোষিত হন। সম্ভবত প্রতিশোধপরায়ণ হয়েই পিস্তল দিয়ে তাঁর এই প্রতিদ্বন্দ্বীকে গুলি করে হত্যা করেন! ‘হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যই ছিল পেশাগত প্রতিহিংসা। নিজের হিসেব মেটাতেই যশ খাতিক কৌশলে চিরাগকে এক নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে যায় এবং তাঁর পিঠে গুলি করে।’ এমনই জানাচ্ছেন ডিসিপি ধবল জয়সওয়াল জানান।

খাতিককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। পুলিস কর্তাদের মতে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিসের একাধিক দল পাঠানো হয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনোও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা নিশ্চিত করতেও তদন্ত চলছে। পুলিস বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং হত্যার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

(Feed Source: zeenews.com)