
International Driving License: খুব সহজ কয়েকটি পদ্ধতি মানলেই এই লাইসেন্স আপনি পেয়ে যাবেন! জানুন
নয়া দিল্লি: বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে বহু মানুষ বাস, ট্রেন অথবা বিমানের মতো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু কেউ কেউ আবার বাইক অথবা গাড়ি চালিয়ে রোড ট্রিপে বেরিয়ে পড়তেই বেশি পছন্দ করেন। এমনিতে ভারতীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পারমিটথাকলে দেশের আনাচেকানাচে নির্দ্বিধায় ঘুরে বেড়ানো সম্ভব। কিন্তু বিদেশে বাইক অথবা গাড়ি চালানোর জন্য ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পারমিটের প্রয়োজন হবে। আর সবথেকে বড় কথা হল, এটা একটা বাধ্যতামূলক আইনি নথি। যা প্রমাণ করে যে, ওই লাইসেন্সধারী বিদেশের মাটিতেও গাড়ি অথবা টু-হুইলার চালাতে সক্ষম।
আর আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স জারি করেন ভারত সরকারের সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ব্যবহারকারী অন্যান্য দেশে গিয়েও ফোর-হুইলার কিংবা টু-হুইলার চালাতে পারেন। এটা আসলে ড্রাইভারের লাইসেন্সের অফিসিয়াল ট্রান্সলেশন বা অনুবাদ। সেখানে নথিপত্রগুলি এমন ভাষায় অনুবাদ করা থাকবে, যাতে তা সংশ্লিষ্ট দেশে বোধগম্য হয়।
যিনি ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স বা আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছেন, তাঁকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। আর বয়স ১৮ বছরের উর্ধ্বে হওয়াটাও আবশ্যক। এর পাশাপাশি সেই ব্যক্তির একটি বৈধ ভারতীয় ড্রাইভিং লাইসেন্সও থাকতে হবে। এছাড়া আবেদনকারীর বৈধ পাসপোর্ট এবং ভিসাও থাকা আবশ্যক।
আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে গেলে কয়েকটি নথির প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে অন্যতম হল Form 4A আর Form 1A, একটি বৈধ ড্রাইভার্স লাইসেন্সের কপি, পাসপোর্ট এবং ভিসার একটি কপি, ভেরিফিকেশনের জন্য ডুপ্লিকেট এয়ার টিকিট, ১০০০ টাকা আবেদন ফি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভারতীয় নাগরিকত্বের সার্টিফায়েড প্রমাণ, ঠিকানার প্রমাণপত্রের কপি এবং বয়সের প্রমাণপত্রের নথি।
ভারতীয় ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের জন্য যেমন ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে হয়, এক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই করতে হয়। অর্থাৎ আইডিপি পেতে গেলেও আবেদনকারীকে ড্রাইভিং টেস্ট দিতে হবে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে যে, সমস্ত ফর্ম আর বৈধ নথি জমা করে ফি দেওয়ার পরে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিলে তবেই আইডিপি পাওয়া যাবে। এই সমস্ত প্রক্রিয়া যদি আবেদনকারী সফল হন, তাহলেই তিনি চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে যাবেন।
