)
Vaibhav Sooryavanshi Endorsement Fee: আইপিএল মাতিয়েই বৈভবের বাজারদর হয়ে গেল আকাশছোঁয়া! হুমড়ি খেয়ে পড়ছে ব্র্যান্ডগুলি। কত টাকায় চুক্তিবদ্ধ হবে বৈভব?
জি ২৪ ঘণ্টা ডি়জিটাল ব্যুরো: রাজস্থান রয়্যালসের ( Rajasthan Royals) ১৫ বছর বয়সী বিস্ময়-প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi) পাগল করে দিয়েছে আইপিএলে (IPL 2026)। তার ভয়াল তাণ্ডবলীলায় বাইশ গজ কেঁপে গিয়েছে। ‘বস বেবি’ বৈভব সবচেয়ে কম বয়সে অরেঞ্জ ক্যাপ জেতার ইতিহাস লিখেছে ১৬ ম্যাচে মোট ৭৭৬ রান করে! আর আইপিএল শেষ হওয়ার পরেই বৈভবের বাজারদর হয়ে গেল আকাশছোঁয়া! এনডোর্সমেন্ট ফি বাড়াল দ্বিগুণ।
সূর্যবংশীর বাবা-মা-ই মূলত ছেলের ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টের বিষয়টি দেখেন। শোনা যাচ্ছে যে তার আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালসও এই কাজে বৈভবদের সাহায্য করে। সূর্যবংশীর সঙ্গে ইতোমধ্যেই কমপ্ল্যান এবং রেড বুলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। আইপিএলের পর আরও বেশ কিছু ব্র্যান্ড তাঁকে মুখ করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিল্প বিশেষজ্ঞ এক সর্বভারতীয় মিডিয়াকে জানিয়েছেন যে, সূর্যবংশী তার এনডোর্সমেন্ট ফি প্রায় দ্বিগুণ করে ফেলেছে। এবারের আইপিএল শুরু হওয়ার আগে বৈভব চুক্তি পিছু প্রায় ১ কোটি টাকার মতো পারিশ্রমিক নিতেন। তবে আইপিএলের পর তা বেড়ে ১.৫ থেকে ২ কোটি টাকা হয়ে গিয়েছে। ‘আইপিএল শুরুর আগে সূর্যবংশী কয়েকটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে ওই ১ কোটি টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু এখন ও এনডোর্সমেন্টের জন্য ১.৫ থেকে ২ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বলেই খবর। কমপ্ল্যান এবং রেড বুলের সঙ্গে ও ১ কোটি টাকার রেঞ্জেই চুক্তিগুলি করেছিল। ওটাই ছিল তার পারিশ্রমিকের আনুমানিক সীমা, কিন্তু এখন ১.৫ থেকে ২ কোটি টাকার দিকেই নজর সূর্যবংশীর।’
মাত্র ১৫ বছর বয়সেই সূর্যবংশী তার ক্রিকেট কেরিয়ারে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে আইপিএল ২০২৬ ভারতীয় ক্রিকেটে তার ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ায়, তার বাবা-মা এবং ম্যানেজমেন্ট দলের জন্য এই সুযোগগুলিকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সামলানোটাই এখন অত্যন্ত জরুরি।
এই আইপিএলে বৈভব কী কী পুরস্কার জিতে কত টাকা পেয়েছেন
‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ (এমভিপি): ১৫ লাখ টাকা
অরেঞ্জ ক্যাপ (টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানশিকারি): ১০ লাখ টাকা
‘সুপার স্ট্রাইকার অফ দ্য সিজন’: ১০ লাখ টাকা (সঙ্গে টাটা সিয়েরা এসইউভি, যে চারচাকার টপ মডেলের দাম প্রায় ২১ লাখ টাকার কাছাকাছি)
‘সুপার সিক্সেস অফ অফ দ্য সিজন’: ১০ লাখ টাকা (৭২ ছক্কা হাঁকানোর জন্য)
‘ইমার্জিং প্লেয়ার অফ অফ দ্য সিজন’: ১০ লক্ষ টাকা
৫৫ লাখ টাকা শুধু পুরস্কার থেকেই পেয়েছে বৈভব! রয়েছে ১.১০ কোটি টাকার বার্ষিক রিটেইনার। সূর্যবংশী প্রতি ম্যাচে অংশগ্রহণের জন্য ৭.৫ লক্ষ টাকা করে ম্যাচ ফি পেয়েছে। সব মিলিয়ে এই মরসুমে সে রাজস্থানের হয়ে ১৬ ম্যাচ খেলেই পেয়েছে ১.২০ কোটি টাকা! ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ এবং ম্যাচের দিন পারফরম্যান্স-ভিত্তিক অন্যান্য পুরস্কার পেয়েও নগদ টাকা পেয়েছে বৈভব। ‘ইলেকট্রিক স্ট্রাইকার অফ দ্য ম্যাচ’ কিংবা ‘মোস্ট সিক্সেস অফ দ্য ম্যাচ’-এর মতো ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলির জন্য ১ লক্ষ টাকা করে পেয়েছে। সব মিলিয়ে বৈভব এই মরসুম থেকেই ২৫০০০০০০ টাকা পেয়েছে। এখন বৈভবের মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৭ থেকে ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি বলেই মনে করা হচ্ছে।
(Feed Source: zeenews.com)
