
Airport Rules: এয়ারপোর্টে রিলস, ভ্লগ বা সেলফি তুলতে ভালোবাসেন? DGCA নতুন কড়া নিয়ম জারি করেছে। নির্দিষ্ট এলাকায় ছবি বা ভিডিও তুললে জরিমানা, ফোন বাজেয়াপ্ত এবং গুরুতর ক্ষেত্রে বিমানযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।
Airport Rules: রিলস বানানো বা সেলফি তোলার শখ থাকলে পরের বার বিমানবন্দরে এমন কিছু করার আগে ১০০ বার ভেবে নিন। অনেকেই বিমানবন্দরে ট্রাভেল ভ্লগ, Instagram Reels বা YouTube Shorts ভিডিও বানানোর পরিকল্পনা করেন। আপনার মনেও যদি এমন চিন্তা আসে, তাহলে তা বাদ দেওয়াই ভাল। কারণ, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) ফটোগ্রাফি ও ভিডিয়োগ্রাফি নিয়ে কড়া নিয়ম জারি করেছে। ভ্রমণের সময় সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা বাড়ার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিয়ম ভাঙলে জরিমানা, মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত হওয়া, এমনকি গুরুতর ক্ষেত্রে বিমানে ওঠার উপর নিষেধাজ্ঞাও জারি হতে পারে।
DGCA কী পরিবর্তন করেছে?টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমানবন্দরের একাধিক সীমাবদ্ধ এলাকায় অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা বা ভিডিও রেকর্ড করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা পরীক্ষা কেন্দ্র (Security Checkpoint), বোর্ডিং গেট, রানওয়ে বাস, বিমান পরিচালনা এলাকা (Aircraft Handling Zone), এয়ারপোর্ট অ্যাপ্রন এবং অন্যান্য সংবেদনশীল অপারেশনাল জোন। এই এলাকাগুলিতে কোনও যাত্রী ছবি বা ভিডিও তুললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
কর্তৃপক্ষের মতে, এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নজরদারি প্রযুক্তি এবং অপারেশন সংক্রান্ত তথ্য রেকর্ড হয়ে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া রোধ করা। গুরুতর ক্ষেত্রে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কোনও যাত্রীর নাম DGCA-র ‘No-Fly List’-এ অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করতে পারে। নিয়মভঙ্গের মাত্রার উপর ভিত্তি করে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বিমানযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাও জারি হতে পারে।
কেন এই পদক্ষেপ নিল DGCA?বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দর চত্বরে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা দ্রুত বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ট্রাভেল রিলস, ভ্লগ এবং বিহাইন্ড-দ্য-সিন ভিডিও অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
তবে অনেক ক্ষেত্রে এই ধরনের ভিডিওতে অনিচ্ছাকৃতভাবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিকাঠামো, কর্মীদের কাজের পদ্ধতি এবং নজরদারি ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কনটেন্টের উদ্দেশ্য ক্ষতিকর না হলেও, সংবেদনশীল তথ্য সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেলে তা নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করতেই DGCA এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
(Feed Source: news18.com)
