
স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে অনির্বাণ ও সপ্তর্ষি
‘আমরা এমন অনেক ঘটনা এতদিন শুনতে পেতাম, এবার সেটা যে সত্যি তা জানা গিয়েছে। যেখানে যে সমস্ত অন্যায় হয়েছে বা অন্যায় কাজকর্ম হয়েছে সেটা যে বন্ধ হওয়া দরকার সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এবং সেই সমস্ত অনৈতিক কাজকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত, সে যেই হোক তাদের শাস্তি পাওয়া প্রয়োজন।’ অভিনেতা সপ্তর্ষি মৌলিক স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার সব সময় মনে হয়ে এসেছে অভিনেতা অভিনেত্রীদের একটি রাজনৈতিক রঙে না রাঙলে কাজ পেতে অসুবিধা হবে, আর না হলে কোন ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ হতে হবে, আর এই ধারণাটা কি আমার ভুল মনে হয়। শিল্পীদের মাপকাঠি হওয়া উচিত সে কতটা শৈল্পিকভাবে ভাবনা চিন্তা করতে পারছেন।’
স্বরূপ ছিলেন, ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ানস অ্য়ান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি। অভিযোগ, তিনি ছড়ি ঘোরাতেন গোটা বাংলার চলচ্চিত্র জগতের উপর। কারা কাজের সুযোগ পাবেন, কারা পাবেন না… কাদের ব্যান করা হবে…
হলে কোন সিনেমা চলবে… সবটাই ঠিক হত স্বরূপ বিশ্বাসের অঙ্গুলিহেলনে। বারবার অভিযোগ উঠেছে স্বরূপ বিশ্বাসের রোষে পড়লেই কার্যত কেরিয়ার খতম! অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর সঞ্জীব ঘোষ বলছেন, ‘আমি মুম্বই ও কলকাতায় কাজ করতাম। ২০০৯-১০ কাজ করতাম। কিন্তু নতুন সরকারের আমলে কাজ করতে পারিনি। গ্রেফতারিতে রিলিফ। এই ১২ বছর যে কষ্ট করেছি।’
এবার অন্তত ছন্দে ফিরবে টালিগঞ্জের স্টুডিও পাড়া… মুছে যাবে ব্যান রাজনীতি…আশা করছেন শিল্পী, কলা-কুশলীরা।
(Feed Source: abplive.com)
