
মুল্লানপুরের পিচে স্পিন এবং ফাস্ট বোলিং, দুই বিভাগের বোলারদেরই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সহায়তা পাওয়ার কথা। শুরুর দিকে ফাস্ট বোলাররা বল হাতে ভাল বাউন্স হবে এবং বল ভাল ক্যারি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ম্যাচ গড়ালে ভারতীয় পিচগুলির সাধারণ চরিত্র বজায় রেখে স্পিনাররা ম্য়াচে প্রভাব ফেলতে শুরু করবেন।
ম্যাচের প্রথম দিন প্রথম সেশনে, শনিবার সকালে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির খানিক সম্ভাবনা থাকলেও, তারপর আর থেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে সুখবর হল এখানকার জলনিকাশি বন্দোবস্ত অত্যন্ত ভাল। তাই বৃষ্টি হলেও, মাত্র ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই আউটফিল্ড থেকে জল সরিয়ে দেওয়া সম্ভব। দ্রুত তাই খেলাও শুরু হয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টি হলেও, খুব বেশি সময় নষ্ট হওয়ার কথা নয়।
ম্যাচের প্রথম সেশন ব্যতীত মুল্লানপুরে ম্যাচের পাঁচদিনই মোটামুটি আকাশ পরিস্কার থাকার কথা। অর্থাৎ রোজই ক্রিকেট খেলায় পরিবেশের তরফে অন্তত কোনও বাধার সৃষ্টি হবে না বলে ধরাই যায়। ম্যাচের দিনগুলিতে ৩৫ থেকে ৩৮ ডিগ্রির আশেপাশে তাপমাত্রা থাকার কথা। আর্দ্রতা ৩২ শতাংশের আশেপাশে থাকার কথা। তাই গরমে খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়, এই টেস্টে কী নতুনদের পরখ করে দেখে নেওয়া হবে না মোটামুটি সেট দল নিয়েই নামবে ভারত? এই প্রশ্নই সকলের মনে ঘোরাফেরা করছে।
প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে ভারতের হয়ে তিন নম্বরে ব্যাটিং করবেন কোন তারকা, সেই নিয়েও। এবার সেই জল্পনার অন্তত অবসান ঘটালেন গৌতম গম্ভীর। চেতেশ্বর পূজারার পর ভারতীয় দলের তিন নম্বর পজিশন অনেকটা মিউজ়িক্যাল চেয়ারের মতো হয়ে গিয়েছে। করুণ নায়ার, সাই সুদর্শনদের মিলিয়ে মোট সাত ব্যাটারকে ভারতীয় দল এই জায়গায় খেলিয়ে দেখিয়েছে। তবে কেউই এখনও পর্যন্ত এই স্থানে নিজের জায়গা পাকা করতে পারেননি। তবে এবার তেমনটা আর হচ্ছে না। সাই সুদর্শনকে নিজেকে প্রমাণ করার বেশ খানিকটা সময় দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন গম্ভীর।
(Feed Source: abplive.com)
