
লাউ মূলত জলযুক্ত সবজি। এর প্রায় ৯৬ শতাংশই জল। তবুও এতে ভিটামিন, খনিজ ও আঁশের পরিমাণও যথেষ্ট। প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে গড়ে পাওয়া যায়: ক্যালোরি: ১৪ কিলোক্যালরি, জল: ৯৬ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট: ৩.৩ গ্রাম, প্রোটিন: ০.৬ গ্রাম, চর্বি: ০.১ গ্রাম, ফাইবার: ০.৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম: ২৬ মিলিগ্রাম, আয়রন: ০.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি: ১০ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম: ১৭০ মিলিগ্রাম।
এ ছাড়াও লাউয়ে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট।
বছরভর হেঁশেলে লাউয়ের কদর! চিংড়ি দিয়ে লাউ ঘণ্ট, লাউ ডাল হোক কী ওজন কমাতে লাউয়ের রস… লাউয়ের হাজারও ব্যবহার! বাদ যায় না লাউয়ের খোসা ভাজা! শুধু স্বাদে নয়, লাউয়ের উপকারিতাও ব্যাপক! বিশেষ করে, লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে জলীয় উপাদান থাকে, ফলে শরীর আদ্র রাখে। কিন্তু এত উপকারী হওয়া সত্ত্বেও লাউ সবার জন্য নয়! কারা কারা লাউ খাবেন না?
১) গর্ভবতী মহিলারা বেশি লাউ খাবেন না। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই সবজিতে স্বাভাবিকভাবে থাকা কিছু উপাদান ভ্রূণের বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে।
২) যাঁদের রক্তচাপ কম অর্থাৎ লো-ব্লাড প্রেশারে ভোগেন, তাঁদের লাউ খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভাল। খেলেও খুব সামান্য। কারণ, লাউ ব্লাড প্রেশার কমায়, তাই যাঁদের ইতিমধ্যেই রক্তচাপ কম, তাঁরা যদি বেশি লাউ খায়, তবে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি বা দুর্বলতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৩) যাঁদের কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাঁদের লাউ খাওয়া উচিৎ নয়। কারণ লাউয়ে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম কিডনির উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
৪) লাউ খেলে অনেক সময় হজমজনিত অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। যাঁরা গ্যাস, পেট ফাঁপা বা বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা রাতে লাউ খাবেন না, কারণ এর ফাইবার ও জলীয় উপাদান হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দিতে পারে।
৫) অনেকেই ওজন কমাতে লাউয়েরর রস খান! তবে সাবধান! তেতো লাউ দিয়ে তৈরি রস খাওয়া বিপজ্জনক! এতে কুকারবিটাসিন নামে একটি বিষাক্ত উপাদান থাকে, যার থেকে পেটব্যথা, বমি ও ফুড পয়জনিং হতে পারে।
(Feed Source: news18.com)
