
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলই প্রথম ইরানে হামলা চালায়। হত্যা করা হয় ইরানের তদানীন্তন সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। সেই থেকে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত। তবে সম্প্রতি সুর নরম করে, আয়াতোল্লার ছেলে, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ শাসক মোজতবার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন ট্রাম্প। (US-Iran War)
দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের অবসান ঘটাতে, হরমুজ প্রণালীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেই মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছে প্রকাশ করেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, “আমি দেখা করতে চাই না, তবহে যদি দেখা হতো…ওঁর সঙ্গে দেখা করতে পারলে সম্মানিত বোধ করব আমি। দেখতে চাই আমরা চুক্তিবদ্ধ হতে পারি কি না। ওর সঙ্গে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমি ওঁর সঙ্গে দেখা করতে রাজি।”
মোজতবা শান্তিচুক্তিতে যুক্ত বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য ছিল, “উনি যুক্ত, সম্পূর্ণ ভাবে। আমার মনে হয়, ওঁরা (ইরান) ওঁকে অসম্ভব শ্রদ্ধা করেন।” কিন্তু মোজতবার সঙ্গে দেখা করার যে প্রস্তাব দেন ট্রাম্প, তা একেবারে খারিজ করে দিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। মোজতবা এবং ট্রাম্পের মধ্যে সাক্ষাতের সম্ভাবনাকে তিনি ‘অবাস্তব ভাবনা’ বলে খারিজ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আমি একটি রিপোর্ট দেখলাম, যাতে ট্রাম্প বলেছেন তিনি সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত এবং মুখোমুখি বৈঠক করতে চান। আমার মনে হয় বাস্তববাদী হওয়া উচিত ওঁর। বাস্তবের মাটিতে পা থাকা উচিত।”
আয়াতোল্লার মৃত্যুর পর ইরানের শাসনভার গ্রহণ করলেও, মোজতবা এখনও আড়ালেই রয়েছেন। একটিবারও জনসমক্ষে আসেননি তিনি। কোনও ভিডিওবার্তাও প্রকাশ করেননি। তিনি বেঁচে আছেন কি না, সেই নিয়েও গোড়ার দিকে সন্দেহ দেখা দেয়। তবে পরে আমেরিকার তরফেই জানানো হয়, হামলায় আহত হলেও, বেঁচে আছেন মোজতবা। তাঁর মুখ ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছে। অঙ্গহানি হয়েছে। তবে ইরান কোনও মন্তব্য করেনি এখনও পর্যন্ত।
(Feed Source: abplive.com)
