বার্তায় সুখেন্দু শেখর রায় লিখেছেন, “ভ্রষ্টাচার বা দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ভাল মানুষ যে দলে নেই তেমনটা নয়। নির্দিষ্ট কিছু লোক নেতৃত্বের পাশে ঘুরে বেরিয়েছে। ইন্দিরা গান্ধি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন ৬০ বছরে তারপর আবার ফিরে আসেন। আমাদের পার্টিতে সবাই জাতীয় নেতা, কেউ রিজিওনাল নেই। এই জাতীয় নেতাদের সম্পত্তি দেখা উচিত। আমি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিলাম, আমার পরিবারের অতীত নীতির কথা মাথায় রেখে। আমি দীর্ঘদিন ধরেই দলে কোনঠাসা ছিলাম।”
কাউন্সিলরদের গণইস্তফা, হালিশহরে তৃণমূলে বিদ্রোহ(File Photo)
কলকাতা: রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইতিমধ্যে ইস্তফা দিয়েছেন সুখেন্দুশেখর রায়। ফের তৃণমূলে বড় ধাক্কা। যেদিন ইন্ডিয়া জোট বৈঠকে বসছে, সেদিনই তৃণমূলের একাধিক সাংসদ চিঠি দিতে পারেন এমন জল্পনা ছিলই। এবার দিল্লিতে গোপন বৈঠকে বসেছেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদেরা। সামনে এল তাঁদেরই নাম। কতজন তালিকায়? কারা তাঁরা?
- সুখেন্দুশেখর রায়
- জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া
- অরূপ চক্রবর্তী
- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্য়ায়
- কালীপদ সোরেন
- খলিলুর রহমান
- মিতালি বাগ
- আবু তাহের
- শর্মিলা সরকার
- কাকলি ঘোষ দস্তিদার
- অসিত মাল
ইন্ডিয়া মঞ্চের বৈঠকে যোগ দিতে এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন তৃণমূল নেত্রীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও এক দফতরে তৃণমূলের ওই ১২ জন সাংসদ বৈঠকে বসেছেন বলে সূত্রের খবর। তাঁরা দল থেকে ইস্তফা দিতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছে। উপরাষ্ট্রপতির বাসভবনে গিয়ে আজ তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। একাধিক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভের সুর আগেই শোনা গিয়েছিল বর্ষীয়ান রাজনীতিকের গলায়। দলের শোচনীয় বিপর্যয়ের পর সংবাদ মাধ্যমেও বার বার মুখ খুলেছেন তিনি। এবার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।
২০১১ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হন সুখেন্দুশেখর। পরপর তিন বার তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠায় তৃণমূল কংগ্রেস। আরজি কর আন্দোলনের সময় থেকে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে। SIR ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গেলে, সেখানেও পাশে ছিলেন তিনি। ২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন নন্দীগ্রামে লড়তে যান,সেই সময় তাঁকেও নন্দীগ্রামে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, তাঁর বক্তব্য শোনেনি দলের নেতারা। ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজয়ের পরে তিনি সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন। দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধনা করেছেন সুখেন্দু শেখর।
(Feed Source: news18.com)