)
World’s Longest High Altitude Road Tunnel: দুদিক থেকে সমানতালে খননকার্য চলছিল– ওয়েস্ট পোর্টালের বালতাল, সোনমার্গ, কাশ্মীর; ওদিকে ইস্ট পোর্টালের মীনামার্গ, দ্রাস, লাদাখ। এভাবেই ক্রমে তৈরি হল ইতিহাস। এহেন জোজিলা সুড়ঙ্গনির্মাণ অচিরেই শেষ হতে চলেছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিশ্বের অন্যতম বিস্ময় হতে চলেছে জোজিলা টানেল (Zojila Tunnel)! বহু অপেক্ষার শেষে অবশেষে শেষ হচ্ছে জোজিলা টানেল রোড টানেলে (Zojila Tunnel Road Tunnel project)-র কাজ। এটি ভারতীয় সড়ক নির্মাণের ইতিহাসে মাইলস্টোন হতে চলেছে। প্রায় ১৩ কিমি-র এই সুড়ঙ্গ (13.153‑kilometre tunnel) হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত বিশ্বের দীর্ঘতম সিঙ্গল-টিউব বাই-ডিরেকশনাল রোড টানেল (world’s longest single‑tube bi‑directional road tunnel at highest altitude)! এটিকে বলা হচ্ছে হিমালয়ের অত্যতম কঠিনতম, শুষ্কতম করিডর (one of the Himalayas’ harshest corridors)!
সারা বছর লাদাখ
দুদিক থেকে সমানতালে খননকার্য চলছিল– ওয়েস্ট পোর্টালের বালতাল, সোনমার্গ, কাশ্মীর; ওদিকে ইস্ট পোর্টালের মীনামার্গ, দ্রাস, লাদাখ। এভাবেই ক্রমে তৈরি হল ইতিহাস। এহেন জোজিলা সুড়ঙ্গনির্মাণ অচিরেই শেষ হতে চলেছে বলে আজ, ৯ জুন এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে! এখনই অবশ্য এই সুড়ঙ্গ দিয়ে যাতায়াত সম্ভব হবে না। তবে ১১ হাজার ৫৭৮ ফুট উঁচুতে অবস্থিত দীর্ঘ এই সুড়ঙ্গের কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ২০২৮ সাল নাগাদ এই সুড়ঙ্গ দিয়ে গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে। জোজিলা এবং ফোটু লা চালু হয়ে গেলে সারা বছর কাশ্মীর থেকে লাদাখে যাতায়াত করা যাবে। শীতকালে তুষারপাতেও সমস্যা হবে না।
১০ ফুট উঁচু বরফ কাটিয়ে
শ্রীনগর-কার্গিল-লেহ সড়কের সর্বোচ্চ অংশে গড়ে উঠছে এই সুড়ঙ্গ। শ্রীনগরকে কার্গিল এবং লেহর সঙ্গে জুড়তে চলেছে এই সুড়ঙ্গ। ওই সড়কের সবচেয়ে কঠিন অংশেই তৈরি হচ্ছে এই সুড়ঙ্গ। বছরের অনেকটা সময় হিমালয়ের ওই অংশ বরফে ঢেকে থাকে। শীতকালে পাঁচ থেকে ১০ ফুট উঁচু বরফ পড়ে। ওই সড়ক দিয়ে তাই গাড়ি চলাচল খুব বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। অত উচ্চতায় পাহাড়ের বাঁকগুলি খুব বিপজ্জনক। বরফ পরিষ্কার করলেও ভিজে রাস্তা দিয়ে চলার সময় বাঁক ঘুরতে গিয়ে বিপদে
যোগাযোগ, ট্যুরিজম, অর্থনীতি এবং
এর ফলে শ্রীনগর-লাদাখ কানেকটিভিটি জোরদার হবে। শুধু তাই নয়, আবহাওয়ার কারণে দ্রাস, কার্গিল, লেহ্-র সঙ্গে এতদিন য়ে বিচ্ছিন্নতা তৈরি হত, তা আর হবে না। পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি হলে এ সমস্যা মিটবে। তখন শীতেও এপথে গাড়ি যেতে পারবে। লেহ্ থেকে কার্গিল যাওয়ার দূরত্বও অনেকটা কমবে। সেনা, সামরিক সরঞ্জাম, জ্বালানি লাদাখে পৌঁছে দেওয়া যাবে সহজেই। শুধু তাই নয়, ট্যুরিজম জোরদার হবে, অর্থনীতি জোরদার হবে।
(Feed Source: zeenews.com)
