)
PoK Protest 30 Killed 200 Injured: জোটটিকে নিষিদ্ধের ঘটনায় রাওলাকোটে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বল প্রয়োগ করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি চালালে এক ব্যবসায়ী প্রাণ হারান। ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে গত রবিবার রাওয়ালকোট শহরে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: জ্বলছে-পুড়ছে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (PoK protests)! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে (protest in Pakistan-occupied Kashmir) জ্বলছে আগুন, ঝরছে রক্ত! মৃত্যুর মিছিল। পাক নিরাপত্তা বাহিনী (Pakistani Army opening fire) গুলি চালানোয় রক্ত ঝরেছে সাধারণ মানুষেরও। নীরশিশু-সহ মোট ৫০০ জন গ্রেফতার। অন্তত ৩০ জন মারা গিয়েছে। ৪০০ জন আহত!
পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ
পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে হতাহত বেড়ে ৩০ হয়েছে। এতে ২০০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি অঞ্চলটিতে বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছিল জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি তথা জেএএসি নামে একটি সামাজিক সংগঠন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তান সরকার আন্দোলন পরিচালনাকারী সংগঠন জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
রক্তপাত, সংঘর্ষ
জোটটিকে নিষিদ্ধের ঘটনায় রাওলাকোটে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বল প্রয়োগ করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি চালালে এক ব্যবসায়ী প্রাণ হারান। ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে গত রবিবার রাওয়ালকোট শহরে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাওয়ালকোট প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিসের গুলিতে নিহত ব্যবসায়ীর মরদেহ রাওয়ালকোটের একটি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। হাসপাতালের বাইরে জেএএসির সমর্থকরা জড়ো হয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে বিক্ষোভকারীরা পুলিসকে লক্ষ্য করে মারণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। অভিযান চলাকালে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
৩০ মৃত্যু, আহত ২০০
প্রশাসনের দাবি, গত কয়েক দিনের বিক্ষোভে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭০ জন আহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেএএসি সমর্থকরা সরকারি হতাহতের বিরোধিতা করে জানান, পুলিসের গুলিতে হতাহত দাঁড়ায় ৩০ জনে। আহত ২০০-এর বেশি।
ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তান পুরো অঞ্চলে অতিরিক্ত আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং বড় ধরনের জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি বারবার উভয় পক্ষকে আলোচনায় বসে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
