)
Air India has clarification: এআই-১৭১ বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ নেওয়ার জন্য কোনও চাপ দেওয়া হচ্ছে না, রূপাণীর কন্যার অভিযোগে সাফাই এয়ার ইন্ডিয়ার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কন্যার অভিযোগের চিঠির প্রত্যুত্তকে কী বলেছে এয়ার ইন্ডিয়া?
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তাজা। কীভাবে শেষ হয়ে গিয়েছিল প্রায় সবকটি প্রাণ। কিন্তু সেই ভয়াবহ ‘এআই-১৭১’ (AI-171) বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে চূড়ান্ত ক্ষতিপূরণ গ্রহণের জন্য কোনও রকম চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে না। এদিন গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীর কন্যা রাধিকা মিশ্রের তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এমনই সাফাই দিল টাটা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন বিমান সংস্থা ‘এয়ার ইন্ডিয়া’।
কয়েকদিন আগেই টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণকে চিঠি লেখেন রাধিকা মিশ্র। উল্লেখ্য,ওই বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীও। চিঠিতে রাধিকা অভিযোগ করেন, চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নাম করে নিহতদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এয়ার ইন্ডিয়া। এমনকি, ক্ষতিপূরণের টাকা নেওয়ার বিনিময়ে ভবিষ্যতে বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও রকম আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করা যাবে না— এমন শর্তেও সই করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই অভিযোগের পরেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে শোরগোল পড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার সরাসরি রাধিকা মিশ্রকে চিঠি পাঠিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। ওই চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির ওপর ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করার জন্য কোনও রকম চাপ দেওয়া হচ্ছে না। বিমান সংস্থার দাবি,’আমাদের চূড়ান্ত ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবে কোনও সময়সীমা বা ডেডলাইন উল্লেখ করা নেই। কারণ, কোনও পরিবারকে তাড়াহুড়ো করতে বাধ্য করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।’
এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, সরকারি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের আগে পর্যন্ত যে কোনও পরিবার চাইলে অপেক্ষা করতেই পারে। তবে এই বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে করছে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)। ফলে সেই চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট কবে প্রকাশিত হবে, তা এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষে আগে থেকে বলা সম্ভব নয়।
সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন সাহায্য দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত ক্ষতিপূরণের কাজ শুরু করা হয়েছে। যারা প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছেন, তাদের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি টাটা গোষ্ঠীর তরফে মানবিকতার খাতিরে ‘AI-171 মেমোরিয়াল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়েছে। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া প্রায় প্রতিটি পরিবারকে ইতিমধ্যেই ১ কোটি টাকা করে এককালীন অনুদান দেওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে মূল ক্ষতিপূরণের আইনি প্রক্রিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। ফলে অবিলম্বে আর্থিক সাহায্য নেওয়া বা তদন্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করার মধ্যে পরিবারগুলিকে জোর করে বেছে নিতে হচ্ছে না।
(Feed Source: zeenews.com)
