Sweating Odour Tips: স্নানের জলে ফেলে দিন ‘এই’ পাতা জাস্ট কয়েকটা…হাঁসফাঁস করা শত গরমেও গায়ে একফোঁটাও ঘামের গন্ধ হবে না

Sweating Odour Tips: স্নানের জলে ফেলে দিন ‘এই’ পাতা জাস্ট কয়েকটা…হাঁসফাঁস করা শত গরমেও গায়ে একফোঁটাও ঘামের গন্ধ হবে না

Body Odour Tips: গরমকালের অস্বস্তিকর সমস্যা ঘাম ও ঘামের দুর্গন্ধ। লোকের সামনে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। তাই জানুন সহজ টোটকা। যাতে মুশকিল আসান করতে পারেন সহজেই।

Sweating Odour Tips: স্নানের জলে ফেলে দিন ‘এই’ পাতা জাস্ট কয়েকটা…হাঁসফাঁস করা শত গরমেও গায়ে একফোঁটাও ঘামের গন্ধ হবে না
গরমের দিনে বাইরে বেরোলেই ঘামে ভিজে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে অনেকের ক্ষেত্রে ঘামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া মিশে শরীরে তৈরি হয় তীব্র দুর্গন্ধ, যা শুধু অস্বস্তিই নয়, সামাজিক পরিসরেও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই সমস্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ঘাম সাধারণত নিজে থেকে দুর্গন্ধযুক্ত নয়। কিন্তু ত্বকের উপর থাকা ব্যাকটেরিয়া ঘামের সংস্পর্শে এসে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দুর্গন্ধ তৈরি করে। তাই শরীর পরিষ্কার রাখা এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করাই এই সমস্যার মূল সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাইরে যাওয়ার সময় ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড়ের পোশাক পরার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত গরমে ভারি বা বাতাস চলাচল করতে না পারে এমন পোশাক এড়িয়ে চলাই ভাল। বাইরে থেকে ফিরে ব্যবহৃত পোশাক খুলে রোদে বা খোলা বাতাসে শুকিয়ে নিলে আর্দ্রতা কমে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিস্তারও হ্রাস পায়।
স্নানের জলে নিমপাতা বা গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যেতে পারে। নিমপাতার প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের জীবাণু দূর করতে সাহায্য করে, অন্যদিকে গোলাপের পাপড়ি শরীরে সতেজ অনুভূতি ও হালকা সুগন্ধ এনে দেয়। চাইলে সপ্তাহে এক-দুদিন স্নানের জলে কয়েক ফোঁটা টি-ট্রি অয়েলও মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসক অনিরুদ্ধ বিশ্বাস জানান, শরীরের যেসব স্থানে আলো-বাতাস কম পৌঁছায়, বিশেষ করে ত্বকের ভাঁজযুক্ত অংশ, সেসব জায়গার লোম নিয়মিত পরিষ্কার রাখা উচিত। এতে ঘাম জমে থাকার প্রবণতা কমে এবং ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির সুযোগও কমে যায়, ফলে দুর্গন্ধের আশঙ্কা অনেকটাই হ্রাস পায়।
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সঠিক পোশাক নির্বাচন এবং নিয়মিত ব্যক্তিগত যত্ন নেওয়ার মতো ছোট ছোট অভ্যাসই তীব্র গরমে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পেতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। প্রয়োজনে দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
(Feed Source: news18.com)