Zero Watt Bulb: নামেই শুধু ‘জিরো ওয়াট’! সারারাত এই বাল্ব জ্বালিয়ে রাখলে কত টাকার বিদ্যুৎ বিল আসে জানেন?

Zero Watt Bulb: নামেই শুধু ‘জিরো ওয়াট’! সারারাত এই বাল্ব জ্বালিয়ে রাখলে কত টাকার বিদ্যুৎ বিল আসে জানেন?

Zero Watt Bulb: রাতে ঘুমানোর সময় জিরো ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়ে রাখেন? ভাবছেন ইলেকট্রিক বিল বাঁচছে? মোটেও নয়! আপনার অজান্তেই ডিজিটাল মিটার কীভাবে রিডিং তুলছে, জেনে নিন আসল বিজ্ঞান।

জিরো ওয়াটের বাল্ব—আমরা অনেকেই জ্বালিয়ে রাখি রাতে। মনে করা হয় এতে মোটেও বিদ্যুৎ খরচ হয় না। কিন্তু একথা কি আদৌ সত্যি! আমরা অনেকেই জানি না। জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত—

আসলে আগে বৈদ্যুতিক মিটারগুলি তেমন উন্নত ছিল না। ওই মিটার কম পাওয়ার রিডিং নিতে পারত না। তখন শূন্য দেখানো হত। ফলে মনে করা হত জিরো ওয়াটের বাল্বে কোনও বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে না।

ঘটনা হল, প্রযুক্তিগত ভাবে, ‘০-ওয়াট’ বাল্ব বলে কিছু নেই। এই বাল্বগুলি সাধারণত ১২-১৫ ওয়াট শক্তি খরচ করে থাকে। এটা বোঝার জন্য খুব বিজ্ঞানমনস্কতার প্রয়োজন হয় না। কোনও বিদ্যুৎ খরচ না করলে একটি বাল্ব জ্বলবেই বা কী করে! সেই জন্য জিরো ওয়াটের বাল্ব যে কোনও বিদ্যুৎ খরচ করে না, তা একেবারে ভুল।

পুরনো মিটারের কার্যক্ষমতা কম ছিল বলেই সেগুলিতে ১০-১২ ওয়াটের শক্তি পরিমাপ করা সম্ভব হত না। তাই বেশ কিছুক্ষণ বাল্ব জ্বললেও কোনও পরিমাণ দেখাত না। ফলে মনে হত, কোনও শক্তিক্ষয় হয়নি। এমনটা নয়।

কিন্তু তা হলে একে জিরো ওয়াটের বাল্ব বলা হয় কেন? শক্তির ব্যবহার খুব কম হলে প্রচলিত ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক পাওয়ার মিটারগুলি তা ধরতে পারে না। প্রাথমিক ভাবে এই ধরনের মিটারই প্রচলিত ছিল, যা এই সামান্য বিদ্যুৎ খরচের হিসেব রাখতে পারত না। সেই সময় থেকেই এই নাম দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু এখন সর্বত্রই ব্যবহৃত হয় ডিজিটাল মিটার। এগুলির কার্যক্ষমতা খুবই সূক্ষ্ম। ফলে ডিজিটাল মিটার সর্বনিম্ন শক্তি পরিমাপ করে দেখাতে পারে।

LED আলোর উপকারিতা— শুধু মিটার নয়। এখন আলোর ক্ষেত্রেও এসেছে বড় পরিবর্তন আধুনিক আলোও যথেষ্ট কার্যকরী। যাঁরা জিরো-ওয়াটের আলো লাগিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার কথা ভাবছেন তাঁরা বরং LED আলো লাগাতে পারেন।

জিরো ওয়াট’ বাল্বের যেখানে অন্তত পক্ষে ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে, সেখানে LED খরচ করে মাত্র ১ ওয়াট। ‘নাইটল্যাম্প’ লাল LED নাইট-লাইট ব্যবহার যায়। এই আলো কম ক্ষতিকারক এবং কম বিদ্যুৎ খরচ করে।

(Feed Source: news18.com)