)
NASA Sends World Cup Ball ‘Trionda’ to Space: এবার বিশ্বকাপের বলটি ঐতিহাসিক! ফিফার সহযোগিতায় অ্যাডিডাসের তৈরি এবারের বলটির নাম–‘ট্রিওন্ডা’। এর মধ্যে রয়েছে এক যুগান্তকারী কানেক্টেড-বল প্রযুক্তি। স্প্যানিশ ভাষায় ‘ট্রিওন্ডা’ শব্দের অর্থ– ‘তিনটি ঢেউ’। যা মূলত আয়োজক তিন দেশকেই নির্দেশ করছে। বলটিতে তিনটি ভিন্ন রং আছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘ট্রিওন্ডা’– এবার বিশ্বকাপের বল! এবার বিশ্বকাপের এই বলটি ঐতিহাসিক! নানা দিক থেকেই ঐতিহাসিক! ‘ট্রিওন্ডা’র মধ্যে রয়েছে যুগান্তকারী কানেক্টেড-বল প্রযুক্তি। বলটি চারটি প্যানেল দিয়ে তৈরি। বলটির কেন্দ্রে রয়েছে ত্রিভুজাকার এক নকশা। বলের গায়ে রয়েছে গভীর খাঁজ বা ‘সিম’। ‘ট্রিওন্ডা’র ভিতরে রয়েছে ৫০০ হার্জ মোশন সেন্সর চিপ। যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডেটা রেকর্ড করে। এবার ‘ট্রিওন্ডা’র মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক! ‘ট্রিওন্ডা’কে স্পেস স্টেশনে পাঠাল খোদ নাসা! মাঠ ছেড়ে বল এবার বিজ্ঞানের দরবারে।
ঐতিহাসিক ‘ট্রিওন্ডা’!
এবার বিশ্বকাপের বলটি সত্যিই ঐতিহাসিক! ফিফার সহযোগিতায় অ্যাডিডাসের তৈরি এবারের বলটির নাম–‘ট্রিওন্ডা’। এতে রয়েছে যুগান্তকারী কানেক্টেড-বল প্রযুক্তি। স্প্যানিশ ভাষায় ‘ট্রিওন্ডা’র অর্থ– ‘তিনটি ঢেউ’। যা মূলত আয়োজক তিন দেশকেই নির্দেশ করছে। বলটিতে তিনটি ভিন্ন রং আছে। নীল, লাল এবং সবুজ। নীল আমেরিকার, লাল কানাডার, সবুজ মেক্সিকোর প্রতিনিধিত্ব করছে। এছাড়া বলে কানাডার প্রতীক হিসেবে রয়েছে একটি ম্যাপল পাতা, মেক্সিকোর প্রতীক হিসেবে রয়েছে একটি ঈগল এবং আমেরিকার প্রতীক হিসেবে রয়েছে একটি স্টার। এসবের ফুটবলটিতে সোনালি রঙের কারুকাজও রয়েছে।
অসাধারণ সুন্দর সৃষ্টি
এক বিবৃতিতে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগেই বলেছিলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ছাব্বিশের অফিসিয়াল ম্যাচ বল অবশেষে এসে পৌঁছেছে এবং এটি সত্যিই এক অসাধারণ ও সুন্দর সৃষ্টি! ট্রিওন্ডাকে সবার সামনে তুলে ধরতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। অ্যাডিডাস ফিফা বিশ্বকাপের জন্য আরও এক আইকনিক বল তৈরি করেছে; যার নকশায় রয়েছে আয়োজক কানাডা, মেক্সিকো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐক্য ও উদ্দীপনার প্রতিফলন!
ট্রিওন্ডা’র ৪ প্যানেল
ও সিম
‘ট্রিওন্ডা’ বলটি চারটি প্যানেল দিয়ে তৈরি। যা বলটির কেন্দ্রে একটি বিন্দুতে যুক্ত হয়ে ত্রিভুজাকার এক নকশা গঠন করে। বলের গায়ে গভীর খাঁজ বা ‘সিম’ রয়েছে। এর উদ্দেশ্য বলের ফ্লাটই স্টেবিলিটি বাড়ানো এবং বাতাসের মধ্য দিয়ে ভেসে যাওয়ার সময়ে বলের উপর সমভাবে বায়ুর বাধা বা ড্র্যাগ বজায় রাখা। ফিফার দাবি, বলের উপরের অংশে খোদাই করা বিশেষ প্রতীক বা আইকনগুলি ভেজা ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ড্রিবলিং এবং শট নেওয়ার সময় বলের উপর খেলোয়াড়ের নিয়ন্ত্রণ বা গ্রিপ উন্নত করবে।
‘ট্রিওন্ডা’য় সেন্সর চিপ
‘ট্রিওন্ডা’য় ঘটেছে বিরাট প্রযুক্তিগত সংযোজন। এর ভিতর রয়েছে ৫০০ হার্জ মোশন সেন্সর চিপ। যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডেটা রেকর্ড করে এবং বলের সংস্পর্শের সুনির্দিষ্ট স্থান, গতিবেগ, গতিপথ বা ট্রাজেক্টরি, ঘূর্ণন এবং দিক নির্ণয় করে। সেন্সরটির ওজন প্রায় ১৪ গ্রাম। এটি সরাসরি বলের বাইরের প্যানেলগুলির একটির ভিতরে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। এটি বলের বাউন্স, ওজন, স্পর্শানুভূতি কিংবা সামগ্রিক পারফরম্যান্সের উপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। এমনকী কিক বা হেড করার সময়ও খেলোয়াড়েরা সেন্সরের উপস্থিতি বিন্দুমাত্র টের পাবেন না। যেহেতু ম্যাচের পুরো সময় জুড়ে সেন্সরগুলি অবিরাম চলবে, তাই ম্যাচ শুরুর আগে চার্জ দিতে হবে। একবার ফুল চার্জ দিলে বলগুলি প্রায় ছ’ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকবে।
(Feed Source: zeenews.com)
