
Khichuri Cooking Tips: খিচুড়ি করা সহজ মনে হলেও বেশ কিছু খুঁটিনাটি আছে। সেগুলি না মানলে স্বাদের বারোটা বাজবে। বিশেষ করে জানুন চাল ও ডালের হিসেব। ইলিশমাছ ভাজার সঙ্গে জমে যাবে বর্ষার স্বাদ
আকাশে হাজির বর্ষা। বাজারে উপচে পড়ছে ইলিশমাছ। এই মরশুমে থালায় খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশের যুগলবন্দি জাস্ট জমে যাবে। বাঙালির বর্ষা উদযাপন খিচুড়ি-ইলিশমাছ ছাড়া হয় না। এই ট্র্যাডিশন আদি ও অকৃত্রিম। কিন্তু তার জন্য জানতে হবে সঠিক রেসিপি।
খিচুড়ির স্বাদ তখনই সেরা হবে যখন উপকরণের মাপ বা অনুপান ঠিক থাকে। সেইসঙ্গে মনে রাখতে হবে বাকি কিছু টিপস। তাহলেই চটজলদি বানাতে পারবেন অতুলীনয় স্বাদের খিচুড়ি।
সোনা মুগডালের খিচুড়ি বানাতে হলে আগে ভাল করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন। তার পর ভাল করে শুকনো খোলায় ভেজে নিন। খিচুড়িতে সব সময় সরু চাল দিন। গোবিন্দভোগ, বাসমতি বা লম্বা দানার চালে খিচুড়ির স্বাদ খোলতাই হয়।
মুগডালের খিচুড়িতে হিং, জিরে, আদা, গোটা এবং গুঁড়ো গরমমশলার ফোড়ন দিন। মুসুরডালের খিচুড়ি হলে তাতে দিন পেঁয়াজ ফোড়ন। এই কম্বিনেশনেই খুলবে খিচুড়ির স্বাদ বা তার। আলু দেওয়ার আগে ভেজে রাখবেন। এবং খিচুড়িতে দেবেন শেষ দিকে। নয়তো গলে যাবে।
শীতের সবজি তো বর্ষায় পাবেন না। তবুও গাজর, বিনস দিতে পারেন আলুর সঙ্গে খিচুড়িতে। খেতে ভাল লাগবে। এ বার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-চাল এবং ডালের অনুপাত কী হবে? অনেকে ১:১ অনুপাতে চাল-ডাল নেন। যার অর্থ হল ১ কাপ চাল হলে ১ কাপ ডাল নেন।
তবে অনেক রন্ধনশিল্পী মনে করেন খিচুড়ির সেরা স্বাদ তখনই হবে যখন চাল ডালের অনুপাত হবে ১:২। সেক্ষেত্রে ১ কাপ চাল হলে ডাল হবে দু’কাপ। এবং রান্নার সময় যখনই দরকার হবে দিন গরম জল। তাতে রান্নার প্রক্রিয়া দ্রুত হবে। সুস্বাদু হবে খেতেও।
(Feed Source: news18.com)
