)
Severe Heatwave: লন্ডনের এক কলেজের জলবায়ু গবেষক বলেছেন, এই আবহাওয়া-পরিস্থিতি ‘ওমেগা ব্লক’ নামে পরিচিত, যা উত্তর আফ্রিকা ও সাহারা মরুভূমি থেকে গরম বাতাস টেনে আনছে। এদিকে স্বস্তির বাতাস মিলছে না। তা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ তো আছেই। তাই তাপপ্রবাহ আরও তীব্র হচ্ছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইউরোপে ভয়াবহ পরিস্থিতি। তাপপ্রবাহে হাঁসফাস অবস্থা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানির। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বোর্দেওক্সে গত দুই দিনে পারদ রেকর্ড ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে ঠেকেছে! শহরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ! ফ্রান্সে স্কুলগুলিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, কোথাও স্কুলের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে।
গাড়ির ভিতরে আটকে
তথ্য বলছে, বোর্দেওক্সে এর আগে তাপমাত্রা কখনোই এমন বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছয়নি! আর এই চরম গরমে সেখানে প্রায় বিভীষিকার মতো অবস্থা। ৮০ থেকে ৯৫ বছরের মধ্যে বয়স এমন তিন জন নাগরিক আগেই মারা গিয়েছেন এই গরমে। এ ছাড়া দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা কার্পেন্ত্রাসে তীব্র রোদের মাঝে গাড়ির ভেতরে আটকে পড়ে যথাক্রমে দুই ও চার বছর বয়সী দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
ওমেগা ব্লক
কেন সহসা ইউরোপে এই তাপপ্রবাহ? লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের জলবায়ু গবেষক ক্লেয়ার বার্নস রয়টার্সকে বলছেন, এই আবহাওয়া-পরিস্থিতি ‘ওমেগা ব্লক’ নামে পরিচিত! যা উত্তর আফ্রিকা ও সাহারা মরুভূমি থেকে গরম বাতাস টেনে আনছে। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটি খুব ধীর গতিতে চলছে। যে কারণে স্বস্তিদায়ক কোনো সুবাতাস আসছে না আবহাওয়ায়। আর, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণটা তো আছেই। যে কারণে এই ভয়াল তাপপ্রবাহ দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে।
জলে ডুবে মৃত্যু কেন?
দুই শিশু-সহ মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ১৩ জনেরই মৃত্যু হয়েছে মূলত জলে ডুবে! কী ভাবে? তীব্র গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে ফ্রান্সের অসংখ্য সাধারণ মানুষ নদী, হ্রদ ও সাগর-সহ বিভিন্ন জায়গায় নেমে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছিলেন। তখনই এই ধরনের দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে। স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা লোকজনকে বারবার বলছেন যে, (কর্তৃপক্ষের ) নজরদারির আওতায় থাকা জায়গাগুলিতেই সাঁতার কাটুন, অন্যত্র নয়! কিন্তু সম্ভব তাঁরা কথা শোনেননি।
(Feed Source: zeenews.com)
