
এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে মোট ১২টি গ্রুপের সেরা দুই দল এবং সেরা তৃতীয় স্থানে শেষ করা আটটি দল নক আউট পর্বে পৌঁছবে। তবে অনেক সময়ই তো দেখা যায় যে একাধিক দল একই পয়েন্ট অর্জন করেছে। এক্ষেত্রে তেমন পরিস্থিতিতে কীভাবে কোনও দলের স্থান নির্ধারিত হবে? সাম্প্রতিক সময়ে অন্যান্য সব বিশ্বকাপে সেক্ষেত্রে গোল পার্থক্যের নিরিখেই মূল কোনও দলের স্থান নির্ধারিত হত, ঠিক যেমনটা প্রিমিয়ার লিগের মতো ফুটবল লিগের ক্ষেত্রে হয়। তবে এবার সেই নিয়মে বদল ঘটিয়েছে ফিফা। এবার আর গোলপার্থক্য নয়, অন্য নিয়মে হবে টাই ব্রেকার।
টাইব্রেকারের নিয়মাবলী:-
প্রথম ধাপ-
- এবারের বিশ্বকাপে গোলপার্থক্য নয়, টাইব্রেকার হিসাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে হেড-টু-হেডকে। অর্থাৎ দুই দল সমান পয়েন্টে শেষ করলে, সেক্ষেত্রে ওই দুই দলের ম্যাচে যারা জয়ী, তারাই পরবর্তী রাউন্ডে পৌঁছবে।
- হেড-টু-হেড ম্যাচ ড্র হলে ওই ম্যাচের গোলপার্থক্য তখন অগ্রাধিকার পাবে।
- তারপরেও দুই দলের পার্থক্য করা না গেলে হেড-টু-হেড ম্যাচে গ্রুপ পর্বে সর্বাধিক গোলদাতা দল আগে শেষ করবে।
দ্বিতীয় ধাপ-
- প্রথম ধাপের তিন মাপকাঠিতে মাপার পরেও যদি কোনও পার্থক্য করা না যায়, তাহলে তখন গোটা গ্রুপ পর্বে কোন দলের গোলপার্থক্য বেশি, সেই বিষয়টি বিবেচণা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
- এরপরেও দুই দলকে আলাদা করা না গেলে যে দল গ্রুপ পর্বে বেশি গোল করবে, তারাই রাউন্ড অফ ৩২-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
- এরপরেও যদি সব সমান থাকে, তাহলে সেক্ষেত্রে বেশি শৃঙ্খলাপরায়ণ দল আগে শেষ করবে। অর্থাৎ দুই দলের মধ্যে যার আচরণ বেশি ভাল, যে দল কম লাল কার্ড, হলুদ কার্ড দেখেছে, তারা পরের রাউন্ডে পৌঁছবে।
তৃতীয় ধাপ-
এই ছয় মাপকাঠিতেও যদি দুই দলকে আলাদা করা না যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ফিফার সর্বশেষ ব়্যাঙ্কিং অনুযায়ী যে দল এগিয়ে থাকবে, তারা পরের রাউন্ডে পৌঁছবে।
(Feed Source: abplive.com)
