
চলতি বিশ্বকাপে আপাতত লিওনেল মেসি সর্বাধিক পাঁচটি গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’-র তালিকায় শীর্ষে। তবে কিলিয়ান এমবাপেও কিন্তু একেবারেই পিছিয়ে নেই। গতবারের ‘গোল্ডেন বুট’ বিজেতা মেসির থেকে মাত্র এক গোল কম, চার গোল করেছেন। অপরদিকে, হ্যারি কেনও ইতিমধ্যেই মাত্র এক ম্যাচ খেলে দুই গোল করেছেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক ২০১৮ সালের ‘গোল্ডেন বুট’ বিজেতা। এই দুই মহাতারকার সামনেই প্রথম ফুটবলার হিসাবে একাধিক বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন বুট’ জেতার সুযোগ রয়েছে। হ্যারি কেন কিন্তু ১০ গোল করে আপাতত বিশ্বকাপে যুগ্মভাবে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। এখনও অন্তত দুইটি ম্যাচ খেলবে থ্রি লায়ান্স। তাই কেনের সামনে লিনেকার পিছনে ফেলে এককভাবে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
রেকর্ডের তালিকা গড়া হবে এবং তাতে রোনাল্ডোর নাম থাকবে না, তাও আবার হয় নাকি! ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছেন। মেসি এবং মেক্সিকোর ওচোয়ার সঙ্গে এটি যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ। তবে এই বিশ্বকাপে এক গোল করতে পারলেই রোনাল্ডো এমন এক কৃতিত্ব গড়বেন, যা মেসি অন্তত এবারের বিশ্বকাপে তো গড়তে পারবেন না। ‘সিআর৭’-র সামনে প্রথম ফুটবলার হিসাবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার হাতছানি কিন্তু রয়েছে।
ফ্রান্সের ম্যানেজার দিদিদের দেশঁ মাত্র তৃতীয় ব্যক্তি হিসাবে খেলোয়াড় এবং কোচ, দুই ভূমিকাতেই বিশ্বকাপ জিতেছেন। এই বিশ্বকাপ শেষেই তিনি ফরাসি কোচের পদ ছাড়বেন। তবে তার আগেই ফ্রান্সের আজকের জয়ের সুবাদে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে জয়ের নিরিখে যুগ্মভাবে সফলতম কোচ হয়ে গেলেন। ফ্রান্স যদি নিজের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নরওয়েকে হারায়, তাহলেই ১৭ ম্যাচ জিতে এককভাবে দেশঁ বিশ্বকাপের সফলতম কোচ হয়ে যাবেন।
চলতি বিশ্বকাপের প্রথম ম্য়াচেই তিন তিনটি লাল কার্ড দেখানো হয়। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে মোট আটটি লাল কার্ড দেখানো হয়ে গিয়েছে। যে হারে খেলোয়াড়রা লাল কার্ড দেখছেন, তাতে দুই দশক আগে, ২০০৬ বিশ্বকাপে ২৮ লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড ভাঙা অসম্ভব বলে কিন্তু একদমই মনে হচ্ছে না।
(Feed Source: abplive.com)
