
সেই নিয়ম অনুযায়ী ১৬ বছরের কম বয়সি কোনও ক্রিকেটারকে আলাদা সাজঘর ব্যবহার করতে হবে। ফলস্বরূপ ইংল্যান্ডের প্রতিটি মাঠেই বৈভবের জন্য আলাদা সাজঘর তৈরি করা হবে। The Guardian-র রিপোর্ট অনুযায়ী বৈভব কেবল ম্যাচ এবং দলের মিটিংয়ের সময়ই বাকি সতীর্থদের সঙ্গে একই সাজঘরে উপস্থিত থাকতে পারবে। বাকি সবসময় তার জন্য বানানো আলাদা সাজঘরই ব্যবহার করতে হবে বৈভবকে।
ভারতীয় দলের সঙ্গে বৈভব বিলেত সফরে তো গিয়েছে, তবে তার সঙ্গে তার পরিবারও সেখানে গিয়েছে। তারাই বৈভবকে নতুন সাজঘর, পরিবেশ, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবেন। ইংল্যান্ডে কিন্তু সাজঘর নিয়ে ক্রীড়াক্ষেত্রে সর্বত্রই এই কড়াকড়ি রয়েছে। গত মরশুমে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের হয়ে ম্যাক্স ডাওম্যান অভিষেক ঘটিয়েছিল। তবে ডিসেম্বরে তার ১৬ বছর হওয়ার আগে অবধি সে কিন্তু ওডেগার্ড, সালিবাদের থেকে ভিন্ন এক সাজঘরই ব্যবহার করত। বৈভবকেও তাই সেই নিয়ম পালন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, বৈভব কিন্তু ইংল্যান্ডে যাওয়ার আগে ইতিমধ্যেই সিনিয়র দলের জার্সি হাতে পেয়ে গিয়েছে। বিলেতের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে নিয়মমতো প্রতি খেলোয়াড়ের ঘরেই তাঁদের জার্সিসহ কিটব্যাগ পৌঁছে দেওয়া হয়। বৈভবও প্রথমবার হাতে নিজে পেয়ে যায় হোটেলে বসেই। সেই জার্সি হাতে নিয়ে খানিকটা আবেগ, খানিকটা উচ্ছ্বাস ধরা পড়ল তার চোখেমুখে। বিসিসিআইয়ের শেয়ার করা এক ভিডিওতে বৈভবকে ভারতের জার্সি হাতে পেয়ে বলতে শোনা যায়, ‘এই অনুভবটা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। যে স্বপ্ন নিয়ে আমি প্রথম দিন ব্যাটটা হাতে তুলেছিলাম, ক্রিকেট মাঠে অনুশীলন শুরু করেছিলাম, সেই স্বপ্নটা সত্যি হল, সফরের সবথেকে ধাপটা পূর্ণ হল। আমি এই অনুভূতিটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’
(Feed Source: abplive.com)
