)
Sheikh Hasina: শেখ হাসিনা ওই সাক্ষাতকারে বলেন, এবছরই দেশে ফিরছি। আমরা দল শুধুমাত্র একটি দল নয়, একটি বাহিনী। বাংলাদেশে সংখ্য়ালুদের উপরে আঘাত মানে দেশের সংবিধানের উপরে আঘাত
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মাথার উপরে ঝুলছে একশোরও বেশি মামলা। পাসপোর্ট বাতিল করেছে বাংলাদেশ সরকার। মাথার উপরে ঝুলছে মৃত্যুদণ্ডের খাড়া। তার পরেও প্রাণ বাজি রেখে বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্য়মে সেই কথা জানালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা ওই সাক্ষাতকারে বলেন, এবছরই দেশে ফিরছি। আমরা দল শুধুমাত্র একটি দল নয়, একটি বাহিনী। বাংলাদেশে সংখ্য়ালুদের উপরে আঘাত মানে দেশের সংবিধানের উপরে আঘাত।
কেন দেশে ফিরতে চান? শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেশে ফেরা আমার নিজের ব্যাপার নয়। এর পেছনে অনেককিছুই জড়িত। বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। আমি রাজনীতি করি বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার জন্য। আমার বিরুদ্ধে যেসব রায় দেওয়া হয়েছে তা অগণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ প্রণদিত। আগেও এরকম চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু সেইসময় ওরা পেরে ওঠেনি।
দেশে ফিরলেই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে হাসিনাকে। বরং বলা ভালো মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করা হতে পারে। তাহলে কীসের ভরসায় দেশে ফেরার কথা ভাবছেন? শেখ হাসিনা বলেন, মরতে ভয় পাই না। বাবা-মা, ভাই এবং পরিবারের প্রায় সবাইকে হারিয়েছি। গ্রেনেড বিস্ফোরণ করে আমাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। তার পরেও মানুষের ভোটে ৫ বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। তাই আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, সব বাধা উড়িয়ে এই বছরই আমি দেশে ফিরব।
আওয়ামী লীগ কি ফিরতে পারবে? হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ এমন এক শক্তি যার শিকড় বাংলার মাটিতে, বাংলার মানুষের মনে, বাঙালি জাতির পরিচয়ে মিশে রয়েছে। আওয়ামী লীগ বহুবার নিষিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই মানুষ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনেছে। জনগণের সমর্থন সবসময় আমাদের সঙ্গে ছিল। একদল মানুষকে বিভ্রান্ত করে, একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ-বিরোধী শক্তি আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়। কিন্তু তাদের এত চেষ্টার পরেও মানুষের মন থেকে আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা যায়নি। বাংলাদেশের রাজনীতির অলিগলি আওয়ামী লীগের হাতের তালুর মতো চেনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দলই বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল। আমরা দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছি। জনগণের সমর্থন ও প্রত্যাশাকে রাজনৈতিক বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষমতা আওয়ামী লীগের ডিএনএ-তেই রয়েছে। সোনা যেমন আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়, ঠিক তেমনি শাসকদের এই দমন-পীড়ন ও নির্যাতন আওয়ামী লীগকে দিন দিন আরও শক্তিশালী করে তুলছে।
(Feed Source: zeenews.com)
