কেরলের ত্রিশূর জেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুই নারী-সহ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে মোট ৩০৮ গ্রাম এমডিএমএ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত এক মহিলার গোপনাঙ্গে কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল প্রায় ২ গ্রাম মাদক, যা তল্লাশির সময় উদ্ধার করা হয়।
কেরলে গ্রেফতারি
কেরলের ত্রিশূর জেলায় দুটি পৃথক মাদক মামলায় দুই মহিলা-সহ মোট সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে মোট ৩০৮ গ্রাম এমডিএমএ (MDMA) উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুই নারীর মধ্যে একজনের গোপনাঙ্গে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ২ গ্রাম মাদক।
পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে ভানিয়ামপাড়া এলাকায় একটি যানবাহন তল্লাশি চৌকিতে পিচি থানার পুলিশ একটি গাড়ি আটকায়। গাড়ির যাত্রীদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁদের তল্লাশি করা হয়। সেই সময় এক তরুণীর গোপনাঙ্গে লুকোনো অবস্থায় ২ গ্রাম এমডিএমএ উদ্ধার হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ধৃতদের নাম শিফাজ (২৬), বিদ্যা (২৮), জিশ্নু (২৭) এবং শ্রীলক্ষ্মী (২০)। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা পুলিশকে জানান, পালাক্কাড় জেলার মুথালামাডার একটি রিসর্টে আয়োজিত একটি পার্টি থেকে ফেরার পথে তাঁদের আটক করা হয়। এরপর বিষয়টি জেলা অ্যান্টি-নারকোটিক স্পেশাল অ্যাকশন ফোর্সকে জানানো হয়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ পাভারাত্তি থানার অন্তর্গত শিফাজের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আরও ১৩ গ্রাম এমডিএমএ উদ্ধার করে।
তদন্তে ধৃতরা দাবি করে, শিফাজের বন্ধু সুমেশ বাড়ি থেকে আরও কিছু মাদক সরিয়ে ফেলেছেন। সেই সূত্র ধরে সুমেশের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। তদন্ত চলাকালীন চাভাক্কাড পুলিশ সুমেশের দুই সহযোগী—শাবির পি এ (৩৭) এবং আনসাদ (৩৩)-কে গ্রেফতার করে। তাঁদের কাছ থেকে থাইক্কাড এলাকার একটি অ্যালুমিনিয়াম ফ্যাব্রিকেশন কারখানা থেকে ২৮৮.৮ গ্রাম এমডিএমএ উদ্ধার করা হয়। পরে সুমেশকেও গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পিচি ও চাভাক্কাড থানায় দায়ের হওয়া দুই মামলার তদন্ত শেষে মোট ৩০৮ গ্রাম এমডিএমএ উদ্ধার হয়েছে, যার বাজারমূল্য ১৫ লক্ষ টাকারও বেশি। ধৃত সাত জনকেই আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
(Feed Source: news18.com)