
সরকারি সূত্রে খবর, উত্তরাখন্ডে ইউসিসি বিল তৈরির সময়ও একই পদ্ধতিতে এগিয়েছিল সেখানকার সরকার। উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিলের কমিটির দায়িত্বে ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। প্রাক্তন বিচারপতির সঙ্গে রাজ্য সরকারের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সোমবার আরও এক দফা আলোচনার পর কমিটির চেয়ারম্যানের নাম চূড়ান্ত করা হবে বলে সরকারি সূত্রে খবর। এই বিল আনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকায় সরকার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে চাইছে। বিভিন্ন অংশের মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের মতামতের ভিত্তিতে এই বিল প্রস্তুত করা হবে বলে সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, সোমবার রাজ্য বিধানসভায় পেশ হওয়ার কথা ছিল তিনটি বিল। এর মধ্যে যে বিলটি সব মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল, তা হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিল। এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিলে, বিয়ে ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত একাধিক সংস্থান রয়েছে। আগেই উত্তরাখণ্ড, গুজরাত, অসমে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হয়ে গেছে। এবার পশ্চিমবঙ্গেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি সরকার। বর্তমানে মুসলিম, খ্রিস্টান, দুই সম্প্রদায়েরই বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আলাদা আইন আছে। UCC চালু হলে, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষই একই আইনের আওতায় আসবেন।
এই আইন চালু হলে কী হবে?
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন দেশের সকল সম্প্রদায়ের জন্য এক ও অভিন্ন আইনের কথা বলে। এটি চালু হলে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, লিভ-ইন রিলেশন ও দত্তক সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আইন সবার জন্য একই হবে বা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই আইনে ছেলে ও মেয়েদের বিয়ের বয়স একই হবে। বহুবিবাহ ও হালালা বিয়ে একেবারে নিষিদ্ধ হবে।
