CM Suvendu Adhikari: “পেন ফিরহাদ হলে, দোয়াত মমতা”, তারাতলা বিপর্যয়ে কল্যাণ-কটাক্ষের পর হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

CM Suvendu Adhikari: “পেন ফিরহাদ হলে, দোয়াত মমতা”, তারাতলা বিপর্যয়ে কল্যাণ-কটাক্ষের পর হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

 

কলকাতা: তারাতলা বিপর্যয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরেই, ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়। মূলত এই কালীচরণ ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের  ওএসডি। এদিকে কালীচরণ গ্রেফতারির পরপরই, কুণাল ঘোষ ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, নাম না করে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নাম তোলেন। কল্যাণ কটাক্ষ করে এও বলেন, ‘শুধু কালীকে ধরলে হবে ? দোয়াত আর পেনকেও ধরতে হবে।’ কল্যাণ-কটাক্ষের পর আজ তার পাল্টা কড়া জবাব দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

“পেন যদি ফিরহাদ হলে দোয়াতের নাম মমতা, কালীর সঙ্গে যদি পেনও যায়, তাহলে দোয়াতকেও যেতে হবে”

এদিন বিধানসভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,’লোক আসবে না আপনাদের সঙ্গে। আর আস্তে আস্তে দেখতে থাকুন, সব হবে। প্রথম তো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ..আপনি প্রাক্তন মেয়রের নাম বলেছেন, বিকেল ৫ টার মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে, তাই নাকি ? তাহলে আপনি এখানে চলে আসুন। আপনাদের তো আনেনি লোক। যাকে তোলার তুলেছি। আরেকজন বলছেন, কালী তো গেছে, দোয়াত আর পেন যায়নি কেন ? (নাম না করেই)। আরে পেন যদি ফিরহাদ হাকিম হয়, তাহলে দোয়াতের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে কালীর সঙ্গে যদি পেনও যায়, তাহলে দোয়াতকেও যেতে হবে।  একসঙ্গে সবাইকে যেতে হবে। কিন্তু এই সরকার প্রমাণ ছাড়া কিছু করবে না। জোগাড় করছি, এভিডেন্স থাকলে, কাউকেই ছাড়ন না। নিশ্চিন্তে থাকুন। সবাই ভাল থাকবেন। ..পাশ করিয়ে দিন (গুন্ডাদমন বিল), ভদ্রলোক যারা আছে, তাঁদের উপর প্রয়োগ হবে না। দোষ প্রমাণে কাউকে ছাড়ব না। সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা, জীবনতলার খুনি, এনআইএ গ্রেফতারির আগে আমাকে চারবার মেসেজ করেছিল, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি, নওদার এমএলএ-র একই অবস্থা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিল করেছে, আমার সঙ্গে ডিল করেনি নওদার বিধায়ক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে, এই আইন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসাবে ব্যবহার হবে না।’

“ওই যে আমি বলেছিলাম, কান টানলে মাথা আসে”

 কালীচরণের গ্রেফতারির সূত্র ধরে,  বেলেঘাটা তৃণমূল বিধায়ক  কুণাল ঘোষ বলেন,উনি পুরসভাটাই চালাতেন একটা বকলমে, এক্সিকিউটিভ মেয়র বলে শুনেছি। কাউন্সিলররা খুব ভয় পেতেন। সব কাজটা কালীই চালাতেন।  পুরসভার কালীর প্রতি প্রেম এবং আস্থা প্রবল। ওই যে আমি বলেছিলাম, কান টানলে মাথা আসে। ‘