)
দুর্দান্ত ড্রিবলিং, ক্ষিপ্রতা এবং ডিফেন্ডারদের বোকা বানানোর ক্ষমতার জন্য তিনি পরিচিত। তেমনই বাড়ান থ্রু, পাস। সৃজনশীল ফুটবলার হিসেবেও প্রশংসিত। অসাধারণ প্লেমেকারও। কথা হচ্ছে মাইকেল ওলিসেকে নিয়ে। এই বিশ্বকাপে ইতিহাস লিখে ফেললেন তিনি।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সুইডেনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের দু’গোলে তাঁর অবদান রয়েছে। ৫৩ম মিনিটে বক্সের ভেতর বারকোলাকে চমৎকার পাস দিয়ে ‘লে ব্লুজ’দের ব্যবধান দ্বিগুণ করতে সাহায্য করেছিলেন ওলিসে। এরপর এমবাপেকে দারুণ থ্রু বাড়িয়েছিলেন, আর এমবাপ্পে সেই বল ধরেই নিজের দ্বিতীয় এবং দলের হয়ে ম্যাচের তৃতীয় গোলটি করেছিলেন। পরিসংখ্যান বলছে এই বিশ্বকাপে তাঁর ৫টি অ্যাসিস্ট করা হয়ে গেল। ২১ শতকের প্রথম ফুটবলার হিসেবে কোনও এক ফিফা বিশ্বকাপের আসরে ৫টি অ্যাসিস্ট করার ঐতিহাসিক রেকর্ড করে ফেলেছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক মরসুমে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট করার তালিকায় দুয়ে চলে এসেছেন ওলিসে। রবার্ট গাদোচা, পিয়েরে লিটবারস্কি, দিয়েগো মারাদোনা ও টমাস হাসলারের এলিট ক্লাবেই নাম লিখিয়েছেন ওলিসে। তার সামনে এখন শুধুই কিংবদন্তি পেলে। চলতি বিশ্বকাপে আর একটি অ্যাসিস্ট করলেই ব্রাজিলিয়ানকে ছুঁয়ে ফেলবেন তিনি। এক বিশ্বকাপের সংস্করণে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট করার নজির রয়েছে পেলেরই। ১৯৭০ বিশ্বকাপে ৬টি অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর। পেলকে ছাপিয়ে যাবেন ওলিসে যদি আর দু’টি অ্যাসিস্ট করে ফেলতে পারেন।
বিশ্বকাপের সর্বকালীন সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট করার রেকর্ড রয়েছে দুই আর্জেন্টাইন বিশ্বজয়ী মহানক্ষত্রের। একজন মারাদোনা, আরেকজন মেসি। দু’জনেই ৮টি
অ্যাসিস্ট করেছেন। সেই রেকর্ডও এখন ধাওয়া করছেন ওলিসে। বিশ্বকাপে মাত্র চার ম্যাচ খেলেছেন ওলিসে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফ্রান্সের ফুটবলার হিসেবে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের মালিক হয়ে গিয়েছেন তিনি। আঁতোয়া গ্রিজম্যান (১৯ ম্যাচ), দেম্বেলে (১৫ ম্যাচ) এবং এমবাপের (১৮ ম্যাচ) যৌথ ভাবে দখলে থাকা রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন। দেখা যাক এবার ওলিসেকে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেন কিনা!
(Feed Source: zeenews.com)
