
ভৌগোলিক সীমানার এই অদ্ভুত অবস্থানের কারণে সোলপাট্টা যেন দুই রাজ্যের এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। সীমানাবর্তী এলাকা হওয়ায় বাসস্ট্যান্ড চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে এক মিশ্র সংস্কৃতি।
দাঁতন, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: ভারতবর্ষ বরাবরই বৈচিত্র্যের দেশ। রাজ্য বদলালেই এখানে বদলে যায় ভাষা, সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান, এমনকি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ছবিও। মাঝখানে শুধু একটা সীমানার বেড়া, আর তার এপার-ওপার করলেই দুটি ভিন্ন রাজ্য, সম্পূর্ণ আলাদা দুটি প্রশাসনিক ক্ষেত্র। কিন্তু আপনি কি জানেন, আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গের ঠিক শেষ বাসস্ট্যান্ডটি কোথায় অবস্থিত? যেখান থেকে আর এক পা ফেললেই শুরু হয়ে যায় ভিন রাজ্য?
পশ্চিমবঙ্গের এক প্রান্তে যেমন বিহার ও ঝাড়খণ্ড, তেমনই অন্য প্রান্তে রয়েছে ওড়িশা। আর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানার সোলপাট্টায় গেলেই দেখা মিলবে বাংলার সেই একেবারে শেষ বাসস্ট্যান্ডের। মেদিনীপুর শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সোলপাট্টা এলাকাতেই শেষ হয়েছে বাংলার সীমানা। আর এই বাসস্ট্যান্ডের গা ঘেঁষেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা। সেই কারণেই এটি ‘বাংলার শেষ বাসস্ট্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত। তবে শুধু সোলপাট্টাই নয়, দাঁতন থানারই সোনাকোনিয়া এলাকাতেও রয়েছে এমনই আরও একটি বাসস্ট্যান্ড, যার ঠিক গা থেকেই শুরু হয়েছে ওড়িশা রাজ্যের সীমানা।
(Feed Source: news18.com)
