)
Siya Goyal’s Snapchat Message: খুনের আগে আধার কার্ড চেয়ে বিয়ের নাটক! লোহাগড় দুর্গ হত্যাকাণ্ডে সিয়ার স্ন্যাপচ্যাট চ্যাট দেখেই চক্ষুচড়কগাছ পুলিসের। স্ন্যাপচ্যাটে বন্ধুকে মেসেজ করেছিলেন সিয়া।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: তদন্তে জানা গিয়েছে, সিয়া তার এক বন্ধুকে স্ন্যাপচ্যাটে মেসেজ করে বিমানের টিকিট কাটার জন্য তার আধার কার্ডের কপি চায়। সেখানে সিয়া লিখেছিল, ‘আমাকে তোমার আধার কার্ডটা পাঠাও, এমন একটা বিয়ের টিকিট বুক করতে হবে যা কোনওদিন হবেই না।’ পুলিসের অনুমান, খুনের পরিকল্পনা আড়াল করতে এবং সবার চোখে ধুলো দিতেই সিয়া বিয়ের প্রস্তুতির এই নাটক ফেঁদেছিল।
পুলিস সিয়া এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীর মোবাইল থেকে মুছে ফেলা ডেটা উদ্ধার করেছে। সেখান থেকে জানা গিয়েছে, পুলিসের নজরদারির হাত থেকে বাঁচতে তারা দুজনে নিজেদের মধ্যে ‘সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ’-এ কথা বলত। শুধু তাই নয়, তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে তারা চ্যাটিংয়ে একে অপরের ছদ্মনামও ব্যবহার করত।
১৪ দিনের জেল হেফাজত, নারকো টেস্টে অমত
পুলিস সিয়া ও চেতনকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করার জন্য আরও ৩ দিনের পুলিসি হেফাজত চেয়েছিল, কিন্তু স্থানীয় আদালত তা খারিজ করে তাদের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। আদালতে তাদের ‘নারকো টেস্ট’-এর প্রসঙ্গ উঠলেও, অভিযুক্তরা সম্মতি না দেওয়ায় আদালত তার অনুমতি দেয়নি। তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোজ পাওয়ার জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে সিয়ার ছেঁড়া জামাকাপড় ও কেতনের ছেঁড়া পাসপোর্টের টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার নাটক বনাম পরিকল্পিত খুন
গত ১৮ জুন সকালে কেতন বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুনে-মুম্বাই হাইওয়ে থেকে সিয়াকে গাড়িতে তুলে লোহাগড় দুর্গে যান। সকাল ১০:৪৫ নাগাদ সিয়া কেতনের মাকে ফোন করে দাবি করে, কেতন পা পিছলে পাহাড়ের খাদে পড়ে গিয়েছে। পরে পুলিস ও স্থানীয়রা কেতনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন।
তবে ২১ জুন কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল এবং বন্ধুরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বুঝতে পারেন যে, ওই জায়গা থেকে দুর্ঘটনাবশত পড়ে যাওয়া অসম্ভব। পরিবারের অভিযোগ, সিয়া এবং তার প্রেমিক চেতন মিলেই কেতনকে পাহাড়ের ওপর থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে। সিয়ার ফোনের কল রেকর্ড এবং তার আচরণে সন্দেহ হওয়ায় কেতনের পরিবার পুলিসের দ্বারস্থ হয়
(Feed Source: zeenews.com)
