
নিহত ইরানি সর্বোচ্চ নেতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী শরিফের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ফ্লোরিডার সেনেটর ‘এক্স’ (X)-এ এই মন্তব্য করেন। ভিডিও অনুযায়ী, শরিফ খামেনেইকে একজন “মহান পণ্ডিত ও নেতা” হিসেবে অভিহিত করেন।
ওই ভিডিও ক্লিপে শরিফকে বলতে শোনা যায়, “উনি ছিলেন এক মহান পণ্ডিত ও নেতা, যিনি অদম্য মনোবল, সাহস, ধৈর্য ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন এবং অত্যন্ত নিষ্ঠা ও অবিচল অঙ্গীকারের সঙ্গে ইরানের সেবা করেছেন। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মুসলমান তাঁকে স্মরণ করবেন। পাকিস্তান ও ইরান দু’টি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ এবং আমাদের হৃদস্পন্দন এক। আমরা সব পরিস্থিতিতেই একে অপরের পাশে দাঁড়াব এবং একত্রে এগিয়ে যাব।”
যুদ্ধ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে মার্কিন সাংসদদের উদ্বেগ প্রকাশের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামও সোশ্যাল মিডিয়া এবং কংগ্রেসে এ বিষয়ে তাঁর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এক্স-এ এক পোস্টে গ্রাহাম লিখেছিলেন, “বেশ কিছুদিন ধরেই আমার কাছে এটি স্পষ্ট যে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা অত্যন্ত সমস্যাপূর্ণ। ইজরায়েলের প্রতি তাদের বৈরিতা দীর্ঘদিনের। এটি অনস্বীকার্য যে পাকিস্তানের বিমানঘাঁটিগুলিতে ইরানের সামরিক বিমান রাখা হচ্ছে এবং ইজরায়েলের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের অতীতের বক্তব্য উদ্বেগজনক।”
