
কেন্দ্রের নোটিসের পর মেটা জানিয়েছে, গত ৬ মাসে ভারতে ১.৬০ লাখ সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট সরানো হয়েছে। শিশু যৌন শোষণ-সংক্রান্ত কনটেন্ট রুখতে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি ও কনটেন্ট যাচাই আরও জোরদার করা হয়েছে।
ইনস্টাগ্রামে শিশুদের যৌন শোষণ-সংক্রান্ত কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের পর মুখ খুলল মেটা। সংস্থা জানিয়েছে, শিশুদের যৌন শোষণ একটি জঘন্য অপরাধ এবং তাদের সব প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মেটার দাবি, গত ৬ মাসে ভারতে ১.৬০ লাখ সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) মেটাকে নোটিস পাঠিয়ে ইনস্টাগ্রামে শিশুদের যৌন শোষণ-সংক্রান্ত সব বিজ্ঞাপন ও কনটেন্ট অপসারণের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি সংস্থাকে ৭ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আধিকারিকদের মেটাকে তলব করার নির্দেশও দেন। কেন্দ্রের এই কড়া অবস্থানের পরই মেটা জানিয়েছে, শিশুদের যৌন শোষণ এবং অনলাইন অপরাধ রুখতে তারা কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এআই-এর সাহায্যে শনাক্ত হচ্ছে সন্দেহজনক কনটেন্ট: মেটার দাবি, গত ৬ মাসে ভারতে ১.৬০ লাখ সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর সাহায্যে সন্দেহজনক লিঙ্ক, শিশুদের শোষণ-সংক্রান্ত কার্যকলাপ এবং সন্দেহজনক আচরণ শনাক্ত করা হয়। এই প্রযুক্তির সাহায্যেই গত বছর বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে ৪০ লাখেরও বেশি সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
সংস্থার আরও দাবি, বিজ্ঞাপনও কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হয় যাতে কোনও নেটওয়ার্ক বা আপত্তিকর কনটেন্টকে প্রচার করা না হয়। মেটার বক্তব্য, সরকার বা অন্য কোনও সংস্থা বিষয়টি তোলার আগেই তাদের স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম নিয়মভঙ্গকারী বিজ্ঞাপন এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলিকে বন্ধ করে দিয়েছিল।
অভিযোগ উড়িয়ে দিল মেটা: মেটার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠেছে যে, শিশুদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন ইচ্ছাকৃতভাবে এমন ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, যাদের এ ধরনের অনুচিত আগ্রহ থাকতে পারে। তবে সংস্থা এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছে। মেটার দাবি, তারা কখনওই এ ধরনের কাজ করে না।
(Feed Source: news18.com)
