)
স্টোলে সলবাকেনের শিষ্যরা সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে। তবে নরওয়ে কি আরলিং হাল্যান্ডকে পাবে না ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে? আজীবনের হলিডে ডিল দিল ইউকে-র সংস্থা!
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিশ্বকাপে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে নরওয়ে। রাউন্ড অফ সিক্সটিনে আরলিং হাল্যান্ডরা ২-১ গোলে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠছে। তাঁদের চমকে দেওয়া উত্থান রূপকথার চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। স্টোলে সলবাকেনের শিষ্যরা এবার সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দুরন্ত ইংল্যান্ডের সামনে। তবে আগুনে ফর্মে থাকা আরলিং হাল্যান্ড, ১২ জুলাই মায়ামিতে খেলতে না নেমে সোজা চলে আসুক ম্যাঞ্চেস্টারে। হাল্যান্ডকে অসাধারণ প্রস্তাব দিয়েছে ইউকে-র ট্রাভেল কোম্পানি অন দ্য বিচ। তবে শনিবারের মধ্যেই তাঁকে আসতে হবে ইংল্যান্ডে। তাহলেই তিনি পাবেন আজীবনের হলিডে ডিল।
অন দ্য বিচ হাল্যান্ডকে আজীবন বিনামূল্যে ছুটি কাটানোর প্রস্তাব দিয়েছে। যার মূল্য কয়েক মিলিয়ন পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় ১ মিলিয়ন পাউন্ড মানে ১২.৭ কোটি টাকা)। এই অফার শুধুই হাল্যান্ডের জন্য থাকছে না। প্রতি বছর তাঁর পরিবার এবং বন্ধুরাও বিশ্বের ২৮০টিরও বেশি ডেস্টিনেশনে ১০টি ট্রিপ করার সুযোগ পাবেন। তবে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। এক) হাল্যান্ডকে প্রথম ট্রিপটি নিতে হবে আগামী শনিবার ১১ জুলাই রাত আটটার মধ্যে। মানে ইংল্যান্ড ম্যাচের ঠিক আগের দিন। এবং সেই ট্রিপ মায়ামি ছাড়া অন্য যে কোনও জায়গায় হতে হবে। অন দ্য বিচ হাল্যান্ডকে গোল করা থেকে বিরত রাখার রাস্তা খুঁজে পেয়েছে। কোম্পানি বুঝতে পেরেছে যে, সান লাউঞ্জার (আরামদায়ক রোদ পোহানোর লম্বা চেয়ার) পাসপোর্ট এবং বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে আজীবন বিনামূল্যে ছুটি কাটানোর প্রস্তাবই হাল্যান্ডের জন্য যথার্থ।
অন দ্য বিচের হলিডে এক্সপার্ট ক্যাসপার নেলসন বলেছেন, ‘দেখুন এই গ্রীষ্মে আর্লিং অবিশ্বাস্য রকমের কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং সত্যি বলতে, তাঁর এখন কিছুটা বিশ্রামের প্রয়োজন। আমরা তাঁকে, তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের আজীবন ছুটিতে পাঠাতে পারলে অত্যন্ত আনন্দিত হব। তবে একটি ছোট শর্ত আছে। তাঁকে প্রথম ভ্রমণটি এই শনিবারে শুরু করতে হবে এবং গন্তব্য হিসেবে মায়ামি ছাড়া অন্য যে কোনও জায়গা বেছে নিতে হবে। আসলে, আমরা শুনেছি যে পৃথিবীর ঠিক বিপরীত প্রান্তে অবস্থিত মরিশাস একটি চমৎকার গন্তব্য।’ যদিও ট্রাভেল কোম্পানি জানিয়েছে হাল্যান্ডকে আগে তাঁর ঘরের শহর ম্যাঞ্চেস্টারে আসতে হবে। তারপর তাঁকে মরিশাসে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
নরওয়ে এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে উঠেছে। হাল্যান্ড-ওডেগার্ডের তরুণ প্রজন্ম স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। এই নিয়ে মাত্র চতুর্থবার বিশ্বকাপ খেলছে নরওয়ে। ২৮ বছর আগে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ওলে গুনার সোলশায়ার, টোরে আন্দ্রে ফ্লোরা শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছিলেন। আর দেখতে গেলে চলতি কাপযুদ্ধে নরওয়ের এই উত্তরণের নেপথ্য়েই হাল্যান্ড। কিলিয়ান এমবাপের মতো তিনিও ৭ গোল করেছেন। সোনার বুটের দৌড়ে যুগ্ম ভাবে এমবাপে-হাল্যান্ড দুয়ে রয়েছেন। ৮ গোল করে একে আছেন লিয়োনেল মেসি। দেখা যাক হ্যারি কেন ও জুড লিংহ্যামদের থামিয়ে হাল্যান্ডবাহিনী সেমিতে যেতে পারে কিনা!
(Feed Source: zeenews.com)
