)
Indian Tech Professionals H1B Visa new rule: এর অর্থ, কোনও বিদেশি কর্মীকে গ্রিন কার্ডের জন্য স্পনসর করতে গেলে মার্কিন কোম্পানিগুলিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি বেতন দিতে হবে। এর ফলে সংস্থাগুলো বিদেশি কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে কম উত্সাহ দেখাবে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি পেশাদার, অগুণতি পড়ুয়া, বিশেষত ভারতীয়দের জন্য আরও কঠিন হতে চলেছে আমেরিকার অভিবাসন বা ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন একগুচ্ছ নতুন নিয়ম আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার ফলে এইচ-১বি (H-1B) ভিসা, গ্রিন কার্ডের স্থায়ী আবাসন প্রক্রিয়া (PERM Labour Certification) এবং এইচ-৪ (H-4) ডিপেন্ডেন্ট ভিসাধারীদের জন্য আমেরিকায় টিকে থাকা অনেক বেশি জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং ডিপার্টমেন্ট অব লেবার- সহ একাধিক মার্কিন সরকারি দফতরের সর্বশেষ নীতি এজেন্ডায় এই প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলোর স্পষ্ট আভাস মিলেছে।
এইচ-১বি ভিসার নিয়মে কড়াকড়ি ও খরচ বৃদ্ধি
আগামী অগস্ট মাসেই মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতর এইচ-১বি নিয়মে বড় বদল আনতে একটি প্রস্তাবিত নির্দেশিকা প্রকাশ করতে পারে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য:
১. থার্ড-পার্টি ক্লায়েন্ট সাইট স্ক্রুটিনি: বহু ভারতীয় আইটি এবং কনসাল্টিং সংস্থা তাদের কর্মীদের আমেরিকার বিভিন্ন ক্লায়েন্ট সাইটে পাঠিয়ে কাজ করায়। নতুন নিয়মে নিয়োগকারী সংস্থাকে আরও কড়া প্রমাণ দিতে হবে যে, কর্মীর সাথে তাদের প্রকৃত মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক রয়েছে এবং কর্মী সেখানে অত্যন্ত বিশেষায়িত (Specialized) কাজই করছেন।
২. অতিরিক্ত ফি এবং নবীকরণ জটিলতা: যেসব সংস্থায় ৫০ জনের বেশি কর্মী রয়েছে এবং যার অর্ধেকের বেশি কর্মী এইচ-১বি বা এল-১ ভিসাধারী, তাদের ওপর অতিরিক্ত সম্পূরক ফি চাপানো হবে। এতদিন শুধু প্রথমবার আবেদনের সময় এই ফি দিতে হতো, এবার থেকে ভিসা এক্সটেনশন বা নবীকরণের সময়ও এই চড়া ফি দিতে হবে।
গ্রিন কার্ড ও বেতন কাঠামোর বদল (PERM Certification)
আমেরিকার শ্রম দপ্তর ফিউচার এবং পার্ম (PERM) লেবার সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে ‘প্রচলিত মজুরি’ বা মিনিমাম প্রিভেলিং ওয়েজের (Prevailing Wage) স্তর সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, এন্ট্রি-লেভেল বা প্রাথমিক স্তরের কর্মীদের ন্যূনতম বেতন ১৭তম পার্সেন্টাইল থেকে বাড়িয়ে এক ধাক্কায় ৩৪তম পার্সেন্টাইল করার কথা বলা হয়েছে।
এর অর্থ, কোনও বিদেশি কর্মীকে গ্রিন কার্ডের জন্য স্পনসর করতে গেলে মার্কিন কোম্পানিগুলিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি বেতন দিতে হবে। এর ফলে সংস্থাগুলো বিদেশি কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে কম উত্সাহ দেখাবে।
আমেরিকায় বসেই গ্রিন কার্ড আবেদন বন্ধের প্রস্তাব
ইউএসসিআইএস (USCIS)-এর নতুন পলিসি মেমো অনুযায়ী, আমেরিকার ভেতরে অস্থায়ী ভিসায় (যেমন এইচ-১বি) থাকা অবস্থায় স্থায়ী গ্রিন কার্ডের আবেদন করার সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া, আবেদনকারীদের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়াকরণ সম্পূর্ণ করতে নিজেদের দেশে (যেমন ভারতে) ফিরে আসতে হবে এবং সেখান থেকে ‘কনস্যুলার প্রসেসিং’-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। দশকের পর দশক গ্রিন কার্ডের ব্যাকলগে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য এটি এক বিরাট ধাক্কা।
এইচ-৪ ভিসার চাকুরীরতাদের কর্মসংস্থানে সংকট
সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে চলেছে এইচ-১বি কর্মীদের জীবনসঙ্গীদের ওপর, যাঁরা এইচ-৪ (H-4) ভিসায় আমেরিকায় থাকেন। চলতি মাসেই এমপ্লয়মেন্ট অথরাইজেশন ডকুমেন্ট (EAD)-এর স্বয়ংক্রিয় এক্সটেনশন বা নবীকরণ ব্যবস্থা বাতিল করার চূড়ান্ত নিয়ম আসতে পারে। এর ফলে হাজার হাজার ভারতীয় মহিলা (যাঁরা এইচ-৪ ভিসার প্রধান সুবিধাভোগী) নতুন করে কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার মাঝে দীর্ঘ কর্মহীনতার (Work Gap) মুখে পড়তে পারেন।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক পড়ুয়াদের জন্য ওপিটি (OPT) এবং সিপিটি (CPT)-র মাধ্যমে পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ কমানোর বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে রয়েছে। যদিও এই নিয়মগুলি এখনও পুরোপুরি আইনে পরিণত হয়নি, তবে আমেরিকার আইটি ক্ষেত্রে কর্মরত লক্ষ লক্ষ ভারতীয়দের ভবিষ্যৎ যে এর ফলে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
এইচ-১বি ভিসার নিয়মে কড়াকড়ি ও খরচ বৃদ্ধি
আগামী অগস্ট মাসেই মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতর এইচ-১বি নিয়মে বড় বদল আনতে একটি প্রস্তাবিত নির্দেশিকা প্রকাশ করতে পারে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য:
১. থার্ড-পার্টি ক্লায়েন্ট সাইট স্ক্রুটিনি: বহু ভারতীয় আইটি এবং কনসাল্টিং সংস্থা তাদের কর্মীদের আমেরিকার বিভিন্ন ক্লায়েন্ট সাইটে পাঠিয়ে কাজ করায়। নতুন নিয়মে নিয়োগকারী সংস্থাকে আরও কড়া প্রমাণ দিতে হবে যে, কর্মীর সাথে তাদের প্রকৃত মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক রয়েছে এবং কর্মী সেখানে অত্যন্ত বিশেষায়িত (Specialized) কাজই করছেন।
২. অতিরিক্ত ফি এবং নবীকরণ জটিলতা: যেসব সংস্থায় ৫০ জনের বেশি কর্মী রয়েছে এবং যার অর্ধেকের বেশি কর্মী এইচ-১বি বা এল-১ ভিসাধারী, তাদের ওপর অতিরিক্ত সম্পূরক ফি চাপানো হবে। এতদিন শুধু প্রথমবার আবেদনের সময় এই ফি দিতে হতো, এবার থেকে ভিসা এক্সটেনশন বা নবীকরণের সময়ও এই চড়া ফি দিতে হবে।
গ্রিন কার্ড ও বেতন কাঠামোর বদল (PERM Certification)
আমেরিকার শ্রম দপ্তর ফিউচার এবং পার্ম (PERM) লেবার সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে ‘প্রচলিত মজুরি’ বা মিনিমাম প্রিভেলিং ওয়েজের (Prevailing Wage) স্তর সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, এন্ট্রি-লেভেল বা প্রাথমিক স্তরের কর্মীদের ন্যূনতম বেতন ১৭তম পার্সেন্টাইল থেকে বাড়িয়ে এক ধাক্কায় ৩৪তম পার্সেন্টাইল করার কথা বলা হয়েছে।
এর অর্থ, কোনও বিদেশি কর্মীকে গ্রিন কার্ডের জন্য স্পনসর করতে গেলে মার্কিন কোম্পানিগুলিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি বেতন দিতে হবে। এর ফলে সংস্থাগুলো বিদেশি কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে কম উত্সাহ দেখাবে।
আমেরিকায় বসেই গ্রিন কার্ড আবেদন বন্ধের প্রস্তাব
ইউএসসিআইএস (USCIS)-এর নতুন পলিসি মেমো অনুযায়ী, আমেরিকার ভেতরে অস্থায়ী ভিসায় (যেমন এইচ-১বি) থাকা অবস্থায় স্থায়ী গ্রিন কার্ডের আবেদন করার সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া, আবেদনকারীদের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়াকরণ সম্পূর্ণ করতে নিজেদের দেশে (যেমন ভারতে) ফিরে আসতে হবে এবং সেখান থেকে ‘কনস্যুলার প্রসেসিং’-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। দশকের পর দশক গ্রিন কার্ডের ব্যাকলগে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য এটি এক বিরাট ধাক্কা।
এইচ-৪ ভিসার চাকুরীরতাদের কর্মসংস্থানে সংকট
সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে চলেছে এইচ-১বি কর্মীদের জীবনসঙ্গীদের ওপর, যাঁরা এইচ-৪ (H-4) ভিসায় আমেরিকায় থাকেন। চলতি মাসেই এমপ্লয়মেন্ট অথরাইজেশন ডকুমেন্ট (EAD)-এর স্বয়ংক্রিয় এক্সটেনশন বা নবীকরণ ব্যবস্থা বাতিল করার চূড়ান্ত নিয়ম আসতে পারে। এর ফলে হাজার হাজার ভারতীয় মহিলা (যাঁরা এইচ-৪ ভিসার প্রধান সুবিধাভোগী) নতুন করে কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার মাঝে দীর্ঘ কর্মহীনতার (Work Gap) মুখে পড়তে পারেন।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক পড়ুয়াদের জন্য ওপিটি (OPT) এবং সিপিটি (CPT)-র মাধ্যমে পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ কমানোর বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে রয়েছে। যদিও এই নিয়মগুলি এখনও পুরোপুরি আইনে পরিণত হয়নি, তবে আমেরিকার আইটি ক্ষেত্রে কর্মরত লক্ষ লক্ষ ভারতীয়দের ভবিষ্যৎ যে এর ফলে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
(Feed Source: zeenews.com)
