)
Why Mojtaba Khamenei not Attending Khamenei’s Funeral?: ইরান মোজতবার এই অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে বলেছে, মোজতবা খামেনির উপর এখনও হত্যার হুমকি আছে। নিরাপত্তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। যদিও মোজতবা খামেনির তিন ভাই মোস্তফা, মাইসাম ও মাসুদ-সহ ইরানের সমস্ত শীর্ষ নেতৃত্বই উপস্থিত ছিলেন আয়াতোল্লা খামেইনির শোকযাত্রায়।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ শোকাহত মানুষ। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্পিকার-সহ বহু প্রতিনিধি। অথচ এমন এক অনুষ্ঠানে তাঁর ছেলে ইরানের বর্তমান সুপ্রিম নেতা মোজতবা খামেনি নেই কেন? কেন তিনি তাঁর বাবা ও স্ত্রীর শেষযাত্রায় অংশ নিলেন না? লাখো মানুষের উপস্থিতির চেয়ে একজনের অনুপস্থিতিই তো বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করছে বিশ্বের! কেন এলেন না ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি? সরকারি ভাবে ইরান জানায়, মোজতবা খামেনির উপর এখনও হত্যার হুমকি আছে, নিরাপত্তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত।
গুঞ্জন
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য। গুরুতর আহত হন মোজতবা খামেনিও। এর পর থেকে তাঁকে আর দেখা যায়নি। এমনকি বাবা ও স্ত্রীর জানাজাতেও অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। সংশ্লিষ্ট ইরানি কর্মকর্তারা তাঁর এই অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে বলেছেন, মোজতবা খামেনির উপর এখনও হত্যার হুমকি আছে। যদিও জানাজায় মোজতবা খামেনির তিন ভাই মোস্তফা, মাইসাম, মাসুদ ছিলেন। তাই বর্তমান সর্বোচ্চ নেতার এই অনুপস্থিতি জনমনে আলাদাভাবে দাগ কেটেছে। ওই হামলায় তিনি কতটা গুরুতর আহত হয়েছেন, সেটা নিয়েও এখন আবার নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
ক্ষুব্ধ দেশবাসী
হামলায় আহত হওয়ার পর থেকে মোজতবার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রকাশ্যে না আসায় এ গুঞ্জন আরও তীব্র হয়েছে। মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানিয়েছেন, তিনি গুরুতর আহত। তাঁর মুখমণ্ডল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই পায়েই বড় রকম আঘাত লেগেছে। তবে অনেকেই অন্য সুরেও কথা বলছেন। তাঁদের বক্তব্য– মনে হচ্ছে এর পিছনে কোনো গভীর চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র কাজ করছে, সরকার এখনো জনগণের সঙ্গে সৎ ও স্বচ্ছ আচরণ করছে না! সরকারের ভিতরের কেউ কেউ সর্বোচ্চ নেতার এই অনুপস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন। তাঁরা জনগণের উপর নিজেদের সিদ্ধান্ত ও মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন। নিজেরাই রাষ্ট্রীয় কাজকর্ম পরিচালনা করছেন এবং নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে যেখানেই প্রয়োজন মনে করছেন, নেতার নামে বক্তব্য চালিয়ে দিচ্ছেন।
‘খুনি’কে খুন?
এদিকে এই আবহেও ইসরায়েল বাক্যবাণ ছোড়া থেকে বিরত হয়নি। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, খামেনিকে ইসরায়েল হত্যা করেছে, কারণ, তিনি (খামেনি) ইসরায়েলকে ধ্বংসের পরিকল্পনা করেছিলেন এবং এতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কাৎজ যোগ করেন, খুনিকে খুন করা হয়েছে। অন্য কোনো ইরানি নেতা আবার ইসরায়েলকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে চাইলে, তাঁকেও একইভাবে প্রতিহত করা হবে।
(Feed Source: zeenews.com)
