
Kalanee Impex PVT Ltd নামের একটি সংস্থা চালান ধর্মেশ। বিদেশি মুদ্রা আইনে ধর্মেশ এবং ওই সংস্থার ঠিকানায় হানা দেয় ED. তদন্তকারীদের দাবি, ওই সংস্থার বিরুদ্ধে বিদেশি সম্পত্তি, বিদেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আড়াল করার অভিযোগ রয়েছে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি, রফতানি সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে। (ED Raids at Shekhar Suman Aide)
ধর্মেশ এবং শেখরের ব্যবসায়িক সম্পর্ক বহুদিনের। ‘শেখর সুমন ফিল্ম অ্যাকাডেমি’রও সহ প্রতিষ্ঠাতা ধর্মেশ। সম্প্রতি YouTube-এ যে ব্যগ্মাত্মক শো ‘Shekhar Tonite’ শুরু করেছেন অভিনেতা, তারও প্রযোজক ধর্মেশ। ‘Shekhar Tonite’ অল্পদিনের মধ্যেই বিপুল জনপ্রিয় হয়েছে। ওই শো-তে সরাসরি রাজনৈতিক টিকা-টিপ্পনি করে থাকেন শেখর। কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারকেও বেঁধেন নানা ইস্যুতে।
ED-র দাবি, যে টাকা ভারতে আসার কথা ছিল, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও তা ঢোকেনি। বিদেশি সম্পত্তি এবং বিদেশি অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে। কানাডার একটি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছেন ধর্মেশ। কিন্তু সেই তথ্য লুকিয়ে গিয়েছেন তিনি। ধর্মেশ ডিজিটাল প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ।
ED-র দাবি, আমেরিকার শুল্ক অফিসাররাও ধর্মেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন। তাঁর বেশ কিছু লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ED-র এক আধকারিক বলেন, “২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটেনের UK Border Force ৭.৪ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত করে, যা ধর্মেশ সেখানে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সোনা কোথা থেকে এল, তা নিয়ে তদন্ত চলছে এখনও।”
Is criticism now a trigger for coercion? Shekhar Suman speaks truth to power. Days later, his close associate is under the ED scanner. If this is merely coincidence, the Government must ensure that institutions remain above suspicion. Democracy cannot function under the shadow of…
— Abhishek Singhvi (@DrAMSinghvi) July 10, 2026
তবে শেখরের সহযোগীর বাড়িতে ED-র হানা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ নিজের শো-তে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে প্রায়শই নিশানা করেন তিনি। দুইয়ের মধ্যে সংযোগ দেখছেন অনেকেই। কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘সমালোচনার দরুণ জোরজবরদস্তি কি এখন দস্তুর হয়ে উঠেছে? শেখর সুমন শাসকের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলেন, তার ঠিক কয়েক দিন পরেি তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী-র উপর নজর পড়ে ED-র। নেহাত কাকতালীয় ঘটনাও যদি হয়, সরকারকে দেখতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলি যাতে সন্দ্হের ঊর্ধ্বে থাকে’। শেখর এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।
একসময় কংগ্রেসে ছিলেন শেখর। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে পটনা সাহিবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করে। কিন্তু সেই সময় বিজেপি-র প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার কাছে পরাজিত হন তিনি। ২০২৪ সালের ৫ মে বিজেপি-তে যোগদান করেন শেখর। কিন্তু সম্প্রতি তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি ছেড়ে দেন তিনি। নিজের ভুল বুঝতে পেরেই শুধরে নেন।
(Feed Source: abplive.com)
