Telangana Murder: ধর্ষণ মামলায় জামিনে মুক্ত, তারপরই রক্তাক্ত তাণ্ডব! স্ত্রী, ২ সন্তান, নির্যাতিত কিশোরী-সহ ৬ জনকে কুপিয়ে খুন, তেলেঙ্গানায় নৃশংষ হত্যালীলা

Telangana Murder: ধর্ষণ মামলায় জামিনে মুক্ত, তারপরই রক্তাক্ত তাণ্ডব! স্ত্রী, ২ সন্তান, নির্যাতিত কিশোরী-সহ ৬ জনকে কুপিয়ে খুন, তেলেঙ্গানায় নৃশংষ হত্যালীলা

Telangana Murder: তেলঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলায় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। পকসো মামলায় জামিনে মুক্ত এক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্ত্রী, দুই শিশু সন্তান, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা ১৭ বছরের এক কিশোরী এবং কিশোরীর মা ও দিদা-সহ মোট ৬ জনকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

জেল থেকে বেরিয়েই ৬ খুন!

তেলেঙ্গানা: ধর্ষণের অভিযোগে ছিলেন সংশোধনাগারে৷ জেল থেকে বেরিয়েই একসঙ্গে ৬ খুন! তেলেঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলার ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশ৷ অভিযোগ, জেল থেকে বেরিয়েই অভিযুক্ত নিজের স্ত্রী, দুই সন্তান এবং কিশোরীকে খুন করেন৷ জানা গিয়েছে, ওই কিশোরীকে ধর্ষণের দায়েই, তার অভিযোগের ভিত্তিতেই জেল হেফাজত হয়েছিল অভিযুক্তের৷ শুধু তাই নয়, ওই কিশোরীর মা এবং দিদাকেও খুন করে অভিযুক্ত বি, রাজকুমার৷

পুলিশের দাবি, শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যেই এই ছয় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন অভিযুক্ত রাজকুমার৷ দুটি আলাদা আলাদা জায়গায় ছয়জনকে খুনের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে৷ তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পকসো (POCSO) মামলার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড।

প্রথমে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে খুনপুলিশের অভিযোগ, রাজকুমার প্রথমে শাবাদ এলাকায় নিজের বাড়িতে স্ত্রী পার্বতী সরিতা (৩০) এবং তাঁদের দুই ছেলে—একজনের বয়স চার বছর ও অন্যজনের মাত্র ১৮ মাস—কে হত্যা করেন।

এরপর তিনি প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রামে গিয়ে সেই ১৭ বছরের কিশোরীকে খুন করেন, যিনি গত ১৬ মে তাঁর বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (POCSO)-এর অধীনে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ওই কিশোরীর মা ও মাতামহীকেও খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

জামিনে মুক্ত ছিলেন অভিযুক্তপুলিশ জানিয়েছে, রাজকুমারের বিরুদ্ধে আগেই পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছিল এবং ঘটনার সময় তিনি জামিনে মুক্ত ছিলেন।
হত্যার পর পরিবারের সদস্যদের ফোনঅভিযোগ, ছয় জনকে খুন করার পর রাজকুমার তাঁর বাবা-সহ পরিবারের কয়েক জন সদস্যকে ফোন করে জানায় যে, সে দুই পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। পাশাপাশি আত্মহত্যা করার ইচ্ছার কথাও জানিয়ে সে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ফিউচার সিটি পুলিশের কমিশনার তরুণ জোশী বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত রাতের অন্ধকারে দুটি পৃথক জায়গায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার পর সে নিজের বাবাকে ফোন করে সবকিছু স্বীকার করেছে।”

অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি

রাইওয়ালগুড়ার বাসিন্দা রাজকুমার এখনও পলাতক। তাঁকে গ্রেফতার করতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে পুলিশ এবং বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কমিশনার জোশী জানান, “অভিযুক্ত পলাতক। তাকে ধরতে বিশেষ পুলিশ দল গঠন করা হয়েছে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে। খুব শীঘ্রই তাকে গ্রেফতার করা হবে।” ছয় জনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।