
ইমতিয়াজ, আমার বন্ধু, আমি ভ্যাপস আউঙ্গা দেখে খুব খুশি। যখন বিভিন্ন কারণে চলচ্চিত্র পরিচালকরা তাদের শিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণটি নির্মমভাবে ছিনিয়ে নিচ্ছেন, আপনার চলচ্চিত্রের প্রতিটি ফ্রেম সেই গুণে সিক্ত। বিশ্বাস!!!
এটি প্রতিটি সিনট্যাক্সকে ভেঙে দেয়… pic.twitter.com/YFwtlNsNEb— অনুভব সিনহা (@anubhavsinha) 11 জুন, 2026
দেশভাগ আর অসম্পূর্ণ ভালোবাসা
অনুভব সিনহা তার টুইটে লিখেছেন, ‘ইমতিয়াজ, আমার বন্ধু, ‘আমি ফিরে আসব’ দেখে আমি খুব খুশি। আপনার চলচ্চিত্রের প্রতিটি ফ্রেম বিশ্বাসে সিক্ত। এটি সেই সমস্ত প্রবণতাকে ভুল প্রমাণ করে যা আমাদের বলে যে দর্শকরা এখন কী দেখতে চায়। আপনার ছবির গল্পই এর প্রাণ। তিনি আরও লিখেছেন যে এটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়। বরং একজন গল্পকারের সাথে তার দেশের মধ্যেও খুব গভীর সম্পর্ক রয়েছে। টুইটের শেষে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় দর্শক, এটি সম্ভবত সেই একই ছবি যা আপনি আপনার পরিবারের সাথে প্রেক্ষাগৃহে অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘজীবী হোক বন্ধু!’
অতীতের সন্ধানে একটি আবেগময় যাত্রা
‘আই’ল বি ব্যাক’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে ৯৫ বছর বয়সী ইশার সিং গ্রেওয়ালকে (নাসিরুদ্দিন শাহ), যিনি ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন। স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু নিজের বাড়ি, মাটি ও প্রথম ভালোবাসার স্মৃতি আজও বেঁচে আছে তার ভেতরে। তার নাতি নির্ভাইর ওরফে নিভি (দিলজিৎ দোসাঞ্জ) তার দাদার বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলোকে একত্রিত করার চেষ্টা করে। বোঝার চেষ্টা করে সেই অতীত যা আজও দাদার চোখ থেকে অশ্রু ঝরছে।
৭৮ বছরের যোগসূত্রগুলো জোড়া লাগাতে গিয়ে কখনো ভালোবাসার সুগন্ধি আবার কখনো দেশভাগের ক্ষত বেদনা দেখা যায়। নাসিরুদ্দিন শাহ, দিলজিৎ দোসাঞ্জ, শর্বরী ওয়াঘ সম্পূর্ণ গল্পে শুধুমাত্র তাদের প্রতিভাই নয়, তাদের হৃদয়কেও বিনিয়োগ করেছেন, যা দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা পাচ্ছে। চলচ্চিত্রটির অবশ্যই কিছু দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু এর গল্প ও আবেগ দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সম্ভবত এই কারণেই অনুভব সিনহার মতো পরিচালকরাও এটি দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং আন্তরিকভাবে প্রশংসা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারেননি।
(Feed Source: ndtv.com)
