
ভাষণের মাঝেই গলায় থাকা একটি মাফলার খুলে দর্শকদের দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় তিন দশক আগে নিউজিল্যান্ডের এক ব্যক্তি সেটি তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি একটি মাফলার, একটি টুপি এবং এক জোড়া গ্লাভস উপহার পেয়েছিলেন। দেশে ফিরে সেগুলি যত্ন করে রেখে দেন এবং বহুবার ব্যবহারও করেছেন। মোদির কথায়, “এই মাফলার যেমন আজও যত্ন করে রেখেছি, ঠিক তেমনই আপনাদের ভালোবাসাও সযত্নে আগলে রেখেছি।” তাঁর এই মন্তব্যে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতীয়দের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের উপস্থিতিতে মোদি প্রবাসী ভারতীয়দের ভারত-নিউজিল্যান্ড সম্পর্কের অন্যতম প্রধান শক্তি বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার প্রকৃত কারিগর প্রবাসী ভারতীয়রাই। অকল্যান্ড, ওয়েলিংটন, ক্রাইস্টচার্চ এবং কুইন্সটাউনে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের তিনি “স্বর্ণযুগের নাবিক” বলেও অভিহিত করেন।
#WATCH | New Zealand: At the community event in Auckland, PM Narendra Modi says, “This might be my first visit as the Prime Minister but 25-30 years ago, when I was not a part of any Government and nobody knew me in publuc life, I received an opportunity to come to New Zealand.… pic.twitter.com/c2w62NiUZB
— ANI (@ANI) July 11, 2026
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতি, অন্যতম বৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারক, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদক।
উল্লেখ্য, গত চার দশকেরও বেশি সময় পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিউজিল্যান্ড সফর করছেন নরেন্দ্র মোদি। এই সফরে দুই দেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বে সম্মত হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
(Feed Source: abplive.com)
