Shooter Damayanti Missing Case: বাবা কাঁদছেন হাউহাউ করে, কী থেকে এত ভয়ানক সিদ্ধান্ত বাছল ক্লাস ১০-র প্রতিভাবান কিশোরী৷
হাওড়া: দময়ন্তী’র ডায়েরি লেখা ছিল গত কয়েক বছরের অভ্যাস, মানসিক অবসাদের ভুগলেও দিনলিপিতে উল্লেখ থাকত। সেই সঙ্গে একাধিকবার অবসাদ কাটিয়ে ওঠার বিভিন্ন উপায় নিজের মত করে লিপিবদ্ধ করত সে। আগের দিনের ডায়েরি লিখন কি রয়েছে, জানালেন নিখোঁজ শুটারের বাবা। কান্না চেপে রাখতে পারছেন না, কথা বলতে বলতেই হাউ হাউ করে কেঁদে উঠছেন শিক্ষক বাবা।
বাবা মা দুজনই স্কুল শিক্ষক। জীবনে ভাল-মন্দ সমস্ত বিষয়ে বাবার কাছেই বেশি জানাত সে। ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার প্রি-স্টেট প্রেসিডেন্ট কাপে অংশগ্রহণের কথাও ছিল, সেই মত প্রস্তুতি। আগের দিন ভাল অনুশীলন হয়েছে জানিয়েছিল বাবাকে, তারপর বাবার কাছে রাতে পড়তেও বসে সে। কিন্তু সকালে উঠে কি এমন ঘটল, কোথায় কিভাবে গেল তা বিন্দুমাত্র আঁচ করতে পারছে না পরিবার।
হাওড়া ৩০/২ উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাসিন্দা। সেন্ট জনস ডায়োসেসনের দশম শ্রেণির ছাত্রী। অলিম্পিয়ান জয়দীপ কর্মকারের রাইফেল শুটিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রী। জাতীয় দলের সুযোগ পেয়ে ট্রায়ালে ছিল। বাবা-মা এবং প্রশিক্ষক কোথাও কারও কাছে কোনও অস্বাভাবিকত্ব মেলেনি বলেই জানা পরিবার সূত্রে। ডায়েরি লিখনেও কোন অস্বাভাবিক কিছু উল্লেখ নেই বলেই জানান দময়ন্তীর বাবা।
বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানান, অন্যান্য দিনের মতই ঘুম ভাঙতে সকাল ৯ টা নাগাদ দুধ নিতে বাড়ির সামনে দোকানে গিয়েছিল। নির্দিষ্ট সময় পার হতেই খোঁজ শুরু হয় পরিবারে।
সকাল ৯: ৪৬ নাগাদ তাকে হাওড়া স্টেশনে প্রবেশ করতে দেখা যায় সিসি ক্যামেরায়। এরপর সকাল ১০ টা নাগাদ ৪ ও ৫ নং প্ল্যাটফর্মে শেষবার দেখা মেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিজের মোবাইলটি বাড়িতে রেখে যায়। স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ জানান হয়েছে। ২৪ ঘন্টা পর খোঁজ মেলেনি।
Rakesh Maity
(Feed Source: news18.com)