
তিনি কারুর নাম না করে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাত্রদের সমর্থনে দাঁড়িয়ে লেখেন, ‘বর্তমানে এটা দেশের ভবিষ্যতদের জীবন, আমাদের জীবনের বিষয়। আমি একজন ছাত্র এবং আমরা সকলেই কোনও না কোনও দিক থেকে ছাত্রই। দেশের সকল শিশুর শিক্ষা, সুরক্ষা এবং স্বচ্ছ জীবন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এটা কোনও বিশেষ অধিকার নয়, বরং এটা সকলের মৌলিক অধিকার। যে সকল ছাত্রছাত্রীর নিজেদের জীবন হারিয়েছে, তারা দেশের ভবিষ্যৎ ছিল। তাদের স্বপ্ন, তাদের সম্ভাবনা এবং তাদের ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করা উচিত ছিল।’
এরপরেই ২৪ বছর বয়সি অ্যাথলিট রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে গিয়ে সমস্যা সমাধানের কথা বলেন। ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা অ্যাথলিট হিসাবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘এটা কোনও রাজনৈতিক দলকে প্রমোট করা বা কারুর বিরোধিতা করার বিষয় নয়। এটা শিক্ষা, পরিবেশ, সুরক্ষা এবং দায়ভার নেওয়া, যেগুলি উচিত সেই বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলার। আমরা যাই মানি না কেন, এই বিষয়গুলি আমাদের সকলের জীবনকে প্রভাবিত করে। আমি দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাটাকে অত্যন্ত গর্বের বলে মনে করি। সেই কারণেই ছাত্রদের এমন অবস্থা দেখে আমার হৃদয় ভাঙছে। আমাদের ওদের প্রতি আরও ভাল কিছুর দায়ভার রয়েছে। প্রতিটি বাচ্চা যেন ভয়ডরহীনভাবে শিক্ষা পায়, বেড়ে ওঠা, স্বপ্ন দেখতে পারে, সেটা আমাদের সুনিশ্চিত করা দরকার।’
At this point, it’s about the lives of the future of our nation. It’s about us.
I am a student, and at one point, we all were students. Every child deserves access to education, safety, and a fair chance at life. These are not privileges—they are fundamental rights.
The… pic.twitter.com/0SvFOtQVSG
— Manu Bhaker🇮🇳 (@realmanubhaker) July 17, 2026
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকালই এই যন্তর মন্তরে অনশন করা বিশিষ্ট সমাজ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুককে দিল্লি পুলিশ আন্দোলন স্থল থেকে সফদরজঙ্গ হাসাপাতালে সরিয়ে নিয়ে যায়। সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি একটি আবেদন দাখিল করে সরকারি সফদরজঙ্গ হাসপাতাল থেকে সোনমকে সরিয়ে কোনও বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে প্রায় ৪০ মিনিটের শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্টের তরফে সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত তাই সফদরজঙ্গ হাসাপাতালেই রয়েছেন সোনম। তবে সেখানেও তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন বলেই খবর।
(Feed Source: abplive.com)
