‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর সেই ছোট্ট ‘অঞ্জলী’কে মনে আছে? গুরুতর অসুখে আক্রান্ত অভিনেত্রী সানা,কতটা ভয়াবহ এই বুলিমিয়া রোগ?

‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর সেই ছোট্ট ‘অঞ্জলী’কে মনে আছে? গুরুতর অসুখে আক্রান্ত অভিনেত্রী সানা,কতটা ভয়াবহ এই বুলিমিয়া রোগ?

Kuch Kuch Hota Hai Sana Saeed Disease: সম্প্রতি অভিনেত্রী সানা সঈদ নিজেই জানান, তিনি একটি ইটিং ডিজর্ডারে আক্রান্ত। অসুখটির নাম বুলিমিয়া। অনেকদিন পর্যন্ত তিনি বুঝতেই পারেননি, তাঁর মধ্যে বাসা বেঁধেছে এই রোগ। কতটা বিপজ্জনক এই অসুখ? উপসর্গ কী কী?

‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর ছোট্ট অঞ্জলীকে মনে আছে? ওইটুকু বয়সেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন ফুটফুটে অভিনেত্রী সানা সঈদ। শাহরুখ-কাজলের ম্যাজিক্যাল রসায়নের পাশে আলাদা করে নজর কেড়েছিলেন সানা। কিন্তু সম্প্রতি খারাপ খবর জানালেন অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ‘অঞ্জলী’ জানান তিনি একটি জটিল অসুখে আক্রান্ত। কী হয়েছে সানার?

‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর সেই ছোট্ট ‘অঞ্জলী’কে মনে আছে? গুরুতর অসুখে আক্রান্ত অভিনেত্রী সানা,কতটা ভয়াবহ এই বুলিমিয়া রোগ?

অভিনেত্রী সানা সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি ‘ইটিং ডিজঅর্ডার’-এর শিকার। খাবার খাওয়া সংক্রান্ত এই অসুখটির নাম বুলিমিয়া নার্ভোসা। খোদ সানার ভাষায়, ‘‘আমার যে ইটিং ডিজঅর্ডার রয়েছে, প্রথমে তা বুঝতেই পারিনি। কারণ, কোনওদিন এই বিষয়টি নিয়ে কিছুই শুনিনি। পরে যখন বুলিমিয়া নিয়ে পড়লাম, বুঝলাম আদতে আমার কী হয়েছিল! নিজের সেটা মেনে নিতে সময় লেগেছিল।’’

কতটা গুরুতর বুলিমিয়া?
মানিপাল হসপিটালের কনসালট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সাহেলী গঙ্গোপাধ্যায় জানান, বুলিমিয়া নার্ভোসা একটি ‘ইটিং ডিজঅর্ডার’। এই অসুখে খাবারের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ তৈরি হয়। সেখান থেকে ব্যক্তি খুব স্বল্প সময়ে অনেকটা খেয়ে ফেলেন। এটিকে বলে ‘বিঞ্জ ইটিং’। খাওয়ার পরেই শুরু হয় অপরাধবোধ। ওজন বাড়বে, এই ভয় থেকেই তিনি চেষ্টা করেন, সেই খাবারটি শরীর থেকে বার করে দেওয়ার। কেউ খাওয়ার পরেই বমি করে তা বার করে দেওয়ার চেষ্টা করেন, কেউ ল্যাক্সেটিভ ওষুধ খেয়ে মলত্যাগের চেষ্টা করেন।

যাঁরা বুলেমিয়া নার্ভোসার শিকার, তাঁদের মধ্যে অ্যা

নোরেক্সিয়া নার্ভোসা নামের আরেকটি ইটিং ডিসঅর্ডারের ইতিহাস থাকলেও থাকতে পারে। অ্যানোরেক্সিয়ায় মানুষ ওজন বাড়ার ভয়ে খাওয়া দাওয়াই ছেড়ে দেন। আর বুলিমিয়ায় অতিরিক্ত খাওার প্রবণতা যেমন বেড়ে যায়, তেমনি খাবার পরে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা কিংবা শারীরিক গড়ন নিয়ে মানুষ ভীষণ সচেতন হয়ে পড়েন।

বুলেমিয়ায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের মধ্যে ওজন, শরীরের গঠন নিয়ে নানা উদ্বেগ কাজ করে। এই ‘বিঞ্জ’ আর ‘পার্জ’ সাইকেলটা চলতেই থাকে। সেক্ষেত্রে মনোচিকিৎসক এবং মনোবিদের সঙ্গে পরামর্শে উপকার মিলতে পারে।

(Feed Source: news18.com)