Sohail Khan: “ওর বাগদান হয়েছিল, আমরা কাছাকাছি আসতে চাইনি, তাও একদিন রাতে হোটেলে”….প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে মুখ খুলেন সলমনের ভাই সোহেল

Sohail Khan: “ওর বাগদান হয়েছিল, আমরা কাছাকাছি আসতে চাইনি, তাও একদিন রাতে হোটেলে”….প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে মুখ খুলেন সলমনের ভাই সোহেল

সোহেল খান আর তাঁর স্ত্রী সীমার ডিভোর্স হয়েছে তবে তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল৷ এক রাতের সিদ্ধান্তে তাঁদের বিয়ে হয়৷ কীভাবে হয় তাঁদের বিয়ে, পড়ুন

সোহেল খান এবং সীমা সাজদেহ একসময় ইন্ডাস্ট্রির এক প্রভাবশালী জুটি ছিলেন। ১৯৯৮ সালে তাঁদের প্রেম করে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের দুটি ছেলে হয়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করে এবং ২০২২ সালে সোহেল ও সীমার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদের পরেও তাঁদের সম্পর্ক রয়েছে, ভাল বন্ধু হিসেবে। সীমা ও সোহেলের মধ্যে এখনও খুব ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে সীমা ও সোহেল ‘ অ্যালায়েন্স ‘ নামক একটি রিয়্যালিটি শো -তে অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের এই সুন্দর বন্ধন ভক্তদের মন জয় করে নিচ্ছে। সোহেলকে প্রায়শই ‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী সীমার কথা বলতে দেখা যায়। সম্প্রতি শো-টির একটি ক্লিপ ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে সোহেলকে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী সীমার সঙ্গে প্রেমের গল্প করতে দেখা যাচ্ছে

কুশল ট্যান্ডন সোহেলকে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনার এবং সীমার প্রথম দেখা কীভাবে হয়েছিল?” সোহেল উত্তর দেন, “দিল্লিতে একটি বিয়েতে আমাদের দেখা হয়েছিল। সম্ভবত ওর পরিবার ব্যাপারটা জানতে পেরেছিল এবং আমাদের ওপর খুব রেগে গিয়েছিল। ওর বাবা-মায়ের কারণে আমরা কোনও নেতিবাচকতার মধ্যে জড়াতে চাইনি। তাই, এরপর চার মাস আমাদের মধ্যে কোনও কথা হয়নি।”

সোহেল জানান যে মুম্বইয়ের একটি রেস্তোরাঁয় তাদের পুনরায় দেখা হওয়ার পর তাঁদের প্রেমের গল্প একটি নতুন মোড় নেয়। সোহেল বলেন, “এক রাতে আমি বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করছিলাম, তখন ও ভিতরে আসে। সেই মুহূর্তেই আমাদের আবার দেখা হয়।” এরপর সীমা জানান যে তিনি অন্য একজনের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন। সোহেল এও স্বীকার করেন যে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর থেকে দূরত্ব বজায় রাখছিলেন।

সোহেল বলেন যে সীমার বাগদানের কথা জানতে পেরে তিনি তাঁকে তাঁর সঙ্গে দেখা না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে সোহেল বলেন, “আমি তাঁকে বলেছিলাম, ‘এখন যেহেতু তোমার অন্য একজনের সঙ্গে বাগদান হয়ে গেছে, লোকে কানাঘুষা করতে পারে, তাই আমার সাথে তোমার দেখা না করাই ভাল।'” সোহেলের বলেন, সীমা তখন স্বীকার করেছিল যে সে তাঁর বাগদানে খুশি ছিল না।

সোহেল বলেন যে এর কিছুক্ষণ পরেই, সীমা পারিবারিক বন্ধু চাঙ্কি পান্ডের বাড়িতে চলে যান, আর তাঁর পরিবার তাঁকে খুঁজতে থাকে। সোহেলই তাঁর পরিবারকে সীমার অবস্থান সম্পর্কে জানায়, যার পরে দুই পরিবারের মধ্যে একটি আনন্দময় পুনর্মিলন হয়। সোহেল বলেন, “আমি সীমাকে তাঁর বাবার সঙ্গে গিয়ে দেখা করতে বলেছিলাম। কিন্তু সীমা তাঁকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করে।”

সোহেল আরও জানান যে, সীমার বাবা হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ে করার জন্য জোর দিয়ে তাঁকে অবাক করে দেন। এছাড়াও সীমার বাবা সোহেলকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পরিবারের আশীর্বাদ নিতে পরামর্শ দেন। সোহেল বলেন যে, তাঁর বাবা সেলিম খান কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাবেন সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। তবে, উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে চূড়ান্ত হয়েছিল। কুশল ট্যান্ডন আরও জানতে চান, তাঁদের বিয়ে হতে কত সময় লেগেছিল। এর উত্তরে সোহেল হেসে বলেন, “এক সপ্তাহ।”

(Feed Source: news18.com)