
জেনের দাবি, ২৪ বছর আগে তিনি যখন তাঁর ছেলের জন্ম দিচ্ছিলেন, তখন জটিল গর্ভাবস্থার কারণে কয়েক মুহূর্তের জন্য তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি ‘মারাও’ গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর আত্মা শরীর ছেড়ে এই পৃথিবীর বাইরে অন্য এক জগতে পৌঁছে যায়, যেখানে তাঁর দেখা হয় তাঁর প্রয়াত বাবার সঙ্গে।
জেন জানান, হাসপাতালে সন্তান প্রসবের সময় তিনি শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলেন। ঠিক তখনই হঠাৎ তাঁর শরীরের সমস্ত ব্যথা-যন্ত্রণা উধাও হয়ে যায় এবং তিনি অনুভব করেন, তাঁর আত্মা শরীর ছেড়ে বেরিয়ে বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। সেই সময় তিনি এক পরিচিত শক্তির উপস্থিতি অনুভব করেন। সেটি ছিল তাঁর বাবার শক্তি, যিনি জেনের গর্ভবতী অবস্থায় মাত্র তিন মাস আগে মারা গিয়েছিলেন।
জেনের দাবি, তাঁদের দুই আত্মার মিলন ঘটে। তাঁর বাবা কোনও কথা না বলেই নিজের চিন্তা, ভালবাসা এবং জ্ঞান তাঁর আত্মার মধ্যে সঞ্চারিত করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, জেনের মৃত্যুর সময় এখনও আসেনি এবং তাঁকে ফিরে গিয়ে সন্তানের জন্ম দিতে হবে। এই সময় তাঁর বাবা স্বর্গ সম্পর্কে একটি বিষয়ও জানান। তাঁর কথায়, ধর্মগ্রন্থে যেভাবে স্বর্গের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, বাস্তবে সেই ধরনের কোনও ‘স্বর্গ’ নেই।
জেনের মতে, স্বর্গ কোনও নির্দিষ্ট স্থান নয়, বরং এটি একটি অনুভূতি বা চেতনার অবস্থা। মানুষ মারা গেলে সে শুধু তার দেহ ত্যাগ করে এবং এমন এক জগতে প্রবেশ করে, যেখানে সব আত্মা একসঙ্গে অবস্থান করে।
জেন আরও দাবি করেন, তাঁর বাবা তাঁকে ভবিষ্যতের কিছু ঘটনারও আভাস দেখিয়েছিলেন। এরপর হঠাৎ করেই তাঁর আত্মা আবার শরীরে ফিরে আসে এবং তিনি নিরাপদে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
ঘটনার কয়েক বছর পর জেনের সামনে আরও একটি বিস্ময়কর বিষয় আসে। তাঁর উপলব্ধি হয়, তাঁর ছেলে আর কেউ নন, বরং তাঁর প্রয়াত বাবারই পুনর্জন্ম। তাঁর দাবি, ছেলেকে দেখতে একেবারে তার দাদুর অর্থাৎ জেনের বাবার মতো। এমনকি, কথা বলতে শেখার পর সেও তার দাদুর মতো একজন পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।
জেনের কথায়, এই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবন পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। আগে তিনি মৃত্যুকে ভয় পেতেন, কিন্তু এখন তিনি বিশ্বাস করেন, জীবন কখনও সত্যিকার অর্থে শেষ হয় না এবং মৃত্যু হল কেবল একটি ভ্রম।
(Disclaimer: উপরের বিবরণটি জেন ডসনের ব্যক্তিগত দাবি ও অভিজ্ঞতার বর্ণনা। এ ধরনের দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয় এবং এর পক্ষে সর্বজনস্বীকৃত প্রমাণ নেই।)
(Feed Source: news18.com)
