)
Iran’s Big Warning To US: হরমুজে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নিরীহ নাবিকদের নিশানা করছে ইরান! ইরানের এই অপরাধের শাস্তিস্বরূপই ফের তেহরানে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে আমেরিকার তরফে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই হয়েছে এই অভিযান।
অয়ন ঘোষাল: ইরানকে যদি অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে না দেওয়া হয়, তাহলে কোনও উপসাগরীয় দেশকেই তেল বিক্রি করতে দেব না। ইরানের হুঁশিয়ারি। এদিকে, টানা ১২ দিন ধরে ইরানে গোলাবর্ষণ করছে আমেরিকা। বুধবার মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) একটি বিবৃতিতে জানায়, হরমুজে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নিরীহ নাবিকদের নিশানা করছে ইরান। তাদের শিক্ষা দিতেই ফের তেহরানে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই এই অভিযান।
ইরানের হুঁশিয়ারি
হরমুজ প্রণালীকে আগের অবস্থায় ফেরাতে দেব না। ইরানকে যদি অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে না দেওয়া হয়, তাহলে কোনও উপসাগরীয় দেশকেই তেল বিক্রি করতে দেব না। ঠিক এই ভাষাতেই আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের ইরানের সংসদের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মহম্মদ বাঘের ঘালিবফ।
আমেরিকার টানা গোলাবর্ষণ
এদিকে একটানা ১২ দিন ধরে ইরানে গোলাবর্ষণ করেছে ওয়াশিংটন। বুধবার মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নিরীহ নাবিকদের নিশানা করছে ইরান। তাদের শিক্ষা দিতেই ফের তেহরানে এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশেই গোটা অভিযান চলেছে।
আরও বড় হামলার হুঁশিয়ারি
একদিকে যখন আমেরিকার লক্ষ্যবস্তু সেতু, রেল স্টেশন, বিমানবন্দরের মতো ইরানের জরুরি পরিকাঠামো। তখন পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। মঙ্গলবার ইরানের ইসলামিক রেভিলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, নতুন করে কুয়েত এবং বাহারিনের মার্কিন সেনাঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। পাশাপাশি, আরও বড় হামলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
মহা সঙ্কটে বিশ্ব
ইরান-আমেরিকার সংঘাত থামার নাম নেই। এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। হরমুজ প্রণালীর পর এবার টার্গেট লোহিত সাগর (Red Sea)। ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা হলে লেবাননের হুথিদের লোহিত সাগর বন্ধ করার আবেদন জানাল তেহরান। এই জলপথও বন্ধ হয়ে গেলে গোটা বিশ্বই মহা সঙ্কটে পড়বে। ভেঙেছে শান্তি চুক্তি। এর জেরে উত্তপ্ত হয়েছে ইরান-আমেরিকা, উত্তপ্ত হয়েছে বাকি বিশ্বও। ইরানের রেল স্টেশন থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা।
লোহিত
তবে, শোনা যাচ্ছে, হরমুজেই থামছে না ইরান। এবার ইরানের নয়া পরিকল্পনা। কী নতুন প্ল্যান? শোনা যাচ্ছে, হরমুজের পর তারা লোহিত সাগরও বন্ধ করে দিতে চাইছে। মূলত ইউরোপের জ্বালানি সরবরাহ বিপর্যস্ত করতেই লোহিত সাগর বন্ধের এই নয়া পরিকল্পনা ইরানের। এর জেরে উদ্বেগে ভারতও। কেননা, লক্ষ্য ইউরোপ হলেও এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগে নয়া দিল্লি। কারণ যুদ্ধের আঁচ লোহিত সাগর, সুয়েজ প্রণালী বা ক্যানালে ছড়ালে তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়বেই। ভারত থেকে ইউরোপে জলপথ যোগাযোগে সবথেকে সংক্ষিপ্ত রুট এই লোহিত সাগরই। এই রুট বন্ধ হলে ইউরোপ থেকে ভারতের আমদানি ধাক্কা খাবে। সরাসরি প্রভাব পড়বে ভারতের ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন ইউনিটে। ইউরোপ থেকে প্রচুর পরিমাণ বিভিন্ন শিল্প যন্ত্রাংশ আমদানি করে ভারত। সেক্ষেত্রে ভারতের শিল্পক্ষেত্রে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। ফলে দামও বাড়তে পারে শিল্প যন্ত্রাংশের।
(Feed Source: zeenews.com)
