
সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। আর তারপর গত ২ সপ্তাহে এই প্রথম যুদ্ধ বিরতি দেখা গেল এই দুই দেশের মধ্যে। একটি সংবাদমাধ্যম বলছে, নতুন করে কীভাবে, কোথায় হামলা করা হবে, সেটা সেনার তরফ থেকে প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়েছে। যদিও তারপরও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তরফ থেকে কোনও ধরনের আক্রমণ না করার কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে আলোচনা ও কূটনৈতিক ভাবে এই সমস্যা সমাধানের জন্য এটাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে।
যদিও আমেরিকা এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে প্রয়োজন পড়লে ফের সামরিক পদক্ষেপ শুরু করা হতে পারে। তবে, হোয়াইট হাউস এই বিষয়ে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে, হোয়াইট হাউসেরযোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং জানিয়েছেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সর্বদা কূটনৈতিক সমাধানই চেয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে তাদের গতিবিধি আরও বাড়ায়, বা আমেরিকার বন্ধু দেশগুলোর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করে তাহলে হয়তো আবারও সামরিক বিকল্পের কথা ভেবে দেখতে পারে আমেরিকা।
অন্যদিকে, ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনে হয়েছিল যে এর চেয়ে বড় মাত্রার কোনও সামরিক পদক্ষেপ করা হলে বিরাট একটা যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। শুক্রবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলেন, আমেরিকা যুদ্ধ শুরু করতে যে কোনও সময় তৈরি। যদিও তাঁর মতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় আসাটাই সব থেকে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
যদিও এই সিদ্ধান্তের পিছনে অন্য একটা বড় কারণের কথা বলা হচ্ছে। ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদন বলছে, আমেরিকার সামরিক কর্তারা আগেই বলছিলেন যে সামরিক অভিযান যদি আরও বাড়ানো হয়, তাহলে আমেরিকার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের উপর চরম চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়াও এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এ,আমেরিকার প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মিসাইল ও অন্যান্য ডিফেন্স সিস্টেম খুব দ্রুত ব্যবহার করা হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েকটা মাসে আমেরিকা ইতিমধ্যেই ১ হাজার ২০০-রও বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মিসাইল ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে, গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার সেনা ঘাঁটিগুলোতে চাপ বাড়তে পারে। যদিও হামলা বন্ধের কারণে তেলের দাম কমবে কি না, সেটা স্পষ্ট করে এখনই বলা যায়নি।
(Feed Source: abplive.com)
