
Sim Card : বর্তমান রিচার্জ প্ল্যান শেষ হওয়ার পর তিন মাসের মধ্যে রিচার্জ করাতে হয়। না হলে সেই সিম কার্ড কোম্পানি অন্য কোনও গ্রাহককে বিক্রি করে দিতে পারে। নিয়ম এটাই।
রিচার্জ এখন মহার্ঘ্য। ফলে অনেকেই রিচার্জ শেষ হওয়ার পর কিছুদিন অপেক্ষা করেন। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে রিচার্জ শেষ হলে অনেকেই কিছুদিন খরচ করতে চান না। এই সময় আউটগোয়িং কল সার্ভিস বন্ধ করে দেয় অপারেটর। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, পরবর্তী রিচার্জ করার আগে কতদিন মেয়াদ থাকে সিমের!
এই মুহূর্তে সারা দেশে রিলায়েন্স জিও-র গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি। দেশের কোটি কোটি মানুষের প্রথম পছন্দ জিও। তবে সম্প্রতি রিচার্জ প্ল্যানের খরচ বৃদ্ধি করেছে জিও। যাঁরা একসঙ্গে দুটি বা তার বেশি সিম ব্যবহার করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সবকটি নম্বরে নিয়মিত রিচার্জ করে অ্যাক্টিভ রাখা বেশ ব্যয়বহুল হয়েছে।
অনেকেই এখন একটি নম্বর সময়মতো রিচার্জ করলেও, সেকেন্ডারি বা দ্বিতীয় নম্বরটিতে রিচার্জ করতে দেরি করে ফেলেন। টেলিকম নিয়ামক সংস্থা ট্রাই (TRAI)-এর নিয়ম কী বলছে এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল। কতদিন পর্যন্ত আপনার জিও সিমটি সচল বা অ্যাক্টিভ থাকবে, এই নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে।
ট্রাই (TRAI)-এর নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সিমে অনেকদিন ধরে কোনও রিচার্জ বা অ্যাক্টিভিটি (যেমন কলিং, মেসেজিং বা ডেটা ব্যবহার) না হলে সেটি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হতে পারে। জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া (Vi) এবং বিএসএনএল—সব সংস্থার ক্ষেত্রেই নিয়ম একই। জিও-র ক্ষেত্রে আপনার বর্তমান রিচার্জ প্ল্যানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সাধারণত ৯০ দিন (প্রায় ৩ মাস) পর্যন্ত নম্বর অ্যাক্টিভ থাকে।
৯০ দিনের মধ্যে নম্বর পুরোপুরি বন্ধ করা হয় না। তবে রিচার্জ না করা হলে কোম্পানি নম্বর স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী, সেই নম্বর অন্য কোনও নতুন গ্রাহককে বিক্রি করা হতে পারে। সিম ৯০ দিন সচল থাকলেও, বিনামূল্যে ইনকামিং কল বা ওটিপি (OTP) আসার সুবিধা কতদিন থাকবে, সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে কোম্পানির পলিসির উপর। রিচার্জ শেষ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৭ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত ইনকামিং কল বা ব্যাঙ্কের ওটিপি পাওয়া যেতে পারে। ট্রাই-এর নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ২০ টাকা থাকলে আপনি সুবিধা পেতে পারেন। তখন ২০ টাকা কেটে সিমের মেয়াদ আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
(Feed Source: news18.com)
