শর্মিলা সরকার সহ তৃণমূলের ২০ জন এনসিপিআই-তে যোদ দিয়েছিলেন৷ এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা৷
বিক্ষুব্ধদের বিঁধলেন মহুয়া৷
এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের আবেদন মেনে তাঁদের বসার আসন নতুন করে বণ্টন হয়েছে লোকসভায়৷ এনডিএ-এর বৈঠকেও ডাক পেয়েছে এনসিপিআই৷ লোকসভার বাদল অধিবেশন শুরু র আগে এনসিপিআই -কে সর্বদলীয় বৈঠকেও ডেকেছিল কেন্দ্রীয় সরকার৷
যদিও খাতায় কলমে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদ এখনও তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছেন৷ কারণ, তাঁদের এনসিপিআই-তে মিশে যাওয়ার আবেদন নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি অধ্যক্ষ৷ লোকসভায় বক্তব্য রাখার সময় এই বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবেই দেখানো হচ্ছে৷
এই বিষয়টি নিয়েই এবার এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদদের তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র৷ মঙ্গলবার লোকসভায় বক্তব্য রাখছিলেন বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার৷ এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদদের তালিকায় রয়েছেন তিনিও৷ শর্মিলা সরকার যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন সংসদ টিভিতে তাঁকে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবেই দেখানো হয়৷
সেই ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ লিখেছেন, ‘নির্লজ্জ বেইমানির পরেও বিশ্বাসঘাতকরা এখনও সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচিতি থেকে মুক্তি পেলেন না৷ যতদিন না পর্যন্ত স্বীকৃতিহীন একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আপনাদের বহুচর্চিত মিশে যাওয়া হচ্ছে না, ততদিন অন্তত বিজেপি-র বি টিম হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিন৷’
প্রসঙ্গত গতকালই এনডিএ-এর বৈঠকে প্রথমবার ডাক পেয়েছিলেন এনসিপিআই সাংসদরা৷ তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও৷
এ দিন এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া দলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সদস্যপদ বাতিলের জন্য ফের লোকসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেছেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এর আগেই লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সদস্যপদ বাতিলের আর্জি জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ যদিও সেই আবেদনেরও কোনও নিষ্পত্তি করেননি অধ্যক্ষ ওম বিড়লা৷
(Feed Source: news18.com)