Jagannath Dev’s Rath: পুরীতে রথযাত্রার পর রথগুলোর কী হয়? বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা, জানলে চমকে যাবেন আপনিও

Jagannath Dev’s Rath: পুরীতে রথযাত্রার পর রথগুলোর কী হয়? বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা, জানলে চমকে যাবেন আপনিও

Jagannath Dev’s Rath: পুরীতে রথযাত্রার পর রথগুলোর কী হয়, তা কি কখনও ভেবে দেখেছেন? এগুলো কি পরের বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়, নাকি খুলে ফেলা হয়? রথযাত্রার পর সেগুলো দিয়ে কী করা হয় জানলে চমকে যাবেন৷

পুরীতে ভগবান জগন্নাথের বিশ্ববিখ্যাত রথযাত্রা সদ্যই সম্পন্ন হয়েছে। দেবতারা মন্দিরের অভ্যন্তরে রত্নসিংহাসনে (রত্নবেদী) ফিরে এসেছেন। তবে বিশাল তিনটি রথ এখনও সিংহদ্বারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এবং ভক্তরা সেখানে প্রার্থনা অব্যাহত রেখেছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই এই রথগুলো সরিয়ে ফেলা হবে। (ছবি ও তথ্য-Satyapraksah Mallik)

রথযাত্রার পর মন্দির কর্তৃপক্ষ রথ তিনটি খুলে ফেলে। যদিও রথগুলো ভেঙে ফেলা হয়, তবুও এগুলোর অনেক অংশ অক্ষত থেকে যায় এবং পরের বছরের রথ তৈরির সময় পুনরায় ব্যবহার করা হয়। আবার কিছু অংশ সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

হ্যাঁ, আপনি চাইলে রথের চাকাগুলোর মধ্যে একটি কিনেও নিতে পারেন। শুধু চাকা নয়, রথের আরও বেশ কিছু অংশও শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসন (SJTA) কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি বা ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (SOP) রয়েছে। যেসব কাঠের অংশ বিক্রি হয় না, সেগুলো মন্দিরের রান্নাঘরে প্রভু জগন্নাথের মহাপ্রসাদ তৈরির কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

ন্দির কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে জারি করা সর্বশেষ নির্দেশিকায় নিম্নলিখিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে৷ ভগবান জগন্নাথের নন্দীঘোষ রথের একটি চাকার দাম ৩,০০,০০০ টাকা৷ ভগবান বলভদ্রের তালধ্বজ রথের একটি চাকার দাম ২,০০,০০০ টাকা৷ দেবী সুভদ্রার দর্পদলন রথের একটি চাকার দাম ১,৫০,০০০ টাকা৷

‘গুজ’ ও ‘অসুয়ারি’ (রথের কাঠের কাঠামো বা অংশ) প্রতিটির মূল্য ১৫,০০০ টাকা। আগ্রহী ব্যক্তিরা ১,০০০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আবেদনকারীরা এসজেটিএ (SJTA)-এর ওয়েবসাইট ভিজিট করে ‘ভিজিটর সার্ভিসেস’ বিভাগটি দেখতে পারেন। ক্রেতাদের অবশ্যই এসওপি (SOP) মেনে রথের এই পবিত্র অংশগুলো শ্রদ্ধার সাথে স্থাপন ও সংরক্ষণ করতে হবে।

প্রথা অনুযায়ী, ঘোড়া, রথচালক, পার্শ্বদেবতা, সাক্ষী-মূর্তি, টিয়াপাখির খোদাই-করা রূপ (ওলাটা সুয়া) ও কলসের মতো অংশগুলো প্রতি বছর মেরামত ও নতুন করে রঙ করা হয় এবং পুনরায় ব্যবহার করা হয়। তবে ‘নবকলেবর’-এর বছরে—যখন দেবতাদের মূর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন করে তৈরি করা হয়—তখন পুরনো পবিত্র কাঠের মূর্তিগুলোর পাশাপাশি এই অংশগুলোও ‘কোইলি বৈকুণ্ঠ’-এ সমাহিত করা হয় এবং নতুন করে এগুলোর নির্মাণ করা হয়। (ছবি ও তথ্য-Satyapraksah Mallik)

(Feed Source: news18.com)