বিয়ের প্রস্তাব আসছে বহু জায়গা থেকে, কিন্তু রাজি নন অভিজিৎ দীপকে, কারণ জানালেন মা অনিতা

বিয়ের প্রস্তাব আসছে বহু জায়গা থেকে, কিন্তু রাজি নন অভিজিৎ দীপকে, কারণ জানালেন মা অনিতা

 

নয়াদিল্লি: মাস দুয়েক আগেও তিনি ছিলেন অজ্ঞাত। এখন তিনি বর্তমানে যুবসমাজের ‘আইকন’। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা, NEET আন্দোলনের হোতা অভিজিৎ দীপকের কথা মুখে মুখে ফিরছে সকলের। এত কিছুর মধ্যে ছেলেকে থিতু হতে দেখতে চাইছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু অভিজিৎ কি সংসার পাতার কথা ভাবছেন? সেই নিয়ে সংবাদমাধ্য়মে মুখ খুললেন তাঁর মা। (Abhijeet Dipke Marriage Proposals)

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ছেলেকে নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিজিতের মা অনিতা দীপকে। জানিয়েছেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সূচনার ঢের আগে থেকেই ছেলের জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসছিল তাঁদের কাছে। গত দু’বছরে একাধিক প্রস্তাব পেয়েছেন তাঁরা। কিন্তু অভিজিৎই এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এখনই বিয়েতে রাজি নন বলে তাঁদের জানান ছেলে। (Cockroach Janta Party)

৩০ বছর বয়সি কেন বিয়েতে রাজি হচ্ছেন না, তাও খোলসা করেছেন অনিতা। তাঁর কথায়, “দু’বছর ধরে ওর জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসছে। কিন্তু ও আমাদের পরিষ্কার বলে দেয়, ‘পড়াশোনা শেষ করে আগে রোজগার করতে দাও আমাকে। ভাল রোজগান না করলে বিয়ে করব কী করে’? আমরা ওকে বুঝিয়েছিলাম যে, যথেষ্ট টাকা আছে আমাদের। কিন্তু ওর যুক্তি, নিজের রোজগার প্রয়োজন ওর। ও অত্যন্ত সৎ। জামাকাপড় ছাড়া বিয়েতে কিছু নেবেও না।”

তবে ছেলেকে থিতু হতে দেখতে চান অভিজিতের পরিবার। অনিতা বলেন, “প্রত্যেক মা-বাবাই চান সন্তান বিয়ে করে থিতু হোক। আমারও একই অনুভূতি। ওর তুতো ভাই-বোনেদের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। আমিও চাই ও বিয়ে করুক। তবে ওর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। (সম্প্রতি) ওর সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়নি। ওর তো সময়ও নেই এত কথা বলার। ভিডিও কলে কথা হয় ওর স্বাস্থ্য নিয়ে। আধ ঘণ্টা মতো কথা বলে ঘুমিয়ে পড়ে।”

পরিবার কি তাহলে ছেলের জন্য পাত্রী খুঁজতে শুরু করেছে? অভিজিতের কি কাউকে পছন্দ? অনিতার বক্তব্য, “আমি তো কোনও মেয়েকে দেখিনি। ও কিছু বলেও নি আমাকে। অন্তত একমাস কিছু বলব না আমি। আগে সুস্থ হয়ে উঠুক ও।”

আম আদমি পার্টির হয়ে একসময় কাজ করেছেন অভিজিৎ। আমেরিকার বস্টন ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে গিয়েছিলেন। আমেরিকায় থাকাকালীনই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সূচনা করেন তিনি। গত ৬ জুন দেশে ফিরে NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা ঘটান। দেশের তরুণ প্রজন্মের হতাশা, নিরাশা তুলে ধরেন গোটা পৃথিবীর সামনে। সেই আন্দোলনের জেরে শেষ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয় ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। ভবিষ্যতে তিনি পুরোদস্তুর রাজনীতিক হওয়ার পথে এগোন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে এই মুহূর্তে।

(Feed Source: abplive.com)